ঢাকা শনিবার, ১৮ মে ২০২৪

বগুড়া আইএইচটি শিক্ষার্থীদের ফের সড়ক অবরোধ

বগুড়া আইএইচটি শিক্ষার্থীদের ফের সড়ক অবরোধ

আইএইচটি শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ। ছবি: সমকাল

বগুড়া ব্যুরো

প্রকাশ: ৩১ আগস্ট ২০২৩ | ১৬:২৭ | আপডেট: ৩১ আগস্ট ২০২৩ | ১৬:২৭

বগুড়ায় ছাত্রলীগ নেতা সজল ঘোষের নামে মামলা না নেওয়ার অভিযোগে ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি (আইএইচটি) শিক্ষার্থীরা আবারও সড়ক অবরোধ করেছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত ক্যাম্পাসের সামনে শহরের সাতমাথা-বনানী সড়ক অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। পরে পুলিশ ও স্বাধীনতা চিকিৎসক ফোরাম বগুড়ার সভাপতি ডা. সামির মিশুর আশ্বাসে শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ প্রত্যাহার করেন। 

জিল্লুর রহমান নামে দ্বিতীয় বর্ষের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘সকাল থেকেই বগুড়ার জেলা প্রশাসক, সিভিল সার্জন, চিকিৎসকদের সংগঠন বিএমএ ও পুলিশ সুপারের কাছে স্মারক লিপি দেওয়া হয়। সেখানে ছাত্রলীগ নেতা সজল ঘোষকে গ্রেপ্তার, অধ্যক্ষ ডা. আমায়াত উল হাছিনকে প্রত্যাহার ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ তিনটি দাবি জানানো হয়। এরপরেই সজল ঘোষের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের জন্য বগুড়া সদর থানায় যান শিক্ষার্থীরা। সেখানে মামলার বাদী হওয়া নিয়ে জটিলতা দেখা দেয়। একপর্যায়ে মামলার জন্য থানার কম্পিউটার অপারেটরের কাছে গেলে তিনি দুর্ব্যবহার করেন। এতে শিক্ষার্থীরা বিক্ষুব্ধ হয়ে সড়ক অবরোধ করেন। আমরা চাই তিন দফা দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন করা হোক। তাছাড়া আন্দোলন চলমান থাকবে।’ 

স্বাধীনতা চিকিৎসা ফোরাম বগুড়ার সভাপতি ডা. সামির হোসেন মিশু বলেন, শিক্ষার্থীদের দাবি নিয়ে আলোচনা চলছে। সব দাবিই মেনে নেওয়া হবে।

ঘটনার পর বগুড়া জেলা যুবলীগের সভাপতি শুভাশিস পোদ্দার লিটন ও সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম ডাবলু বগুড়া আইএইচটিতে আসেন। তারা আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস দেন।

শুভাশিস পোদ্দার লিটন বলেন, শিক্ষার্থীদের সব দাবি যৌক্তিক। তাদের দাবির সঙ্গে আমরাও একমত। এ নিয়ে চিকিৎসক নেতাদের সঙ্গে কথা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা আপাতত ছাত্রাবাসে ফিরে যাবেন। দ্রুত তাদের দাবি বাস্তবায়ন করা হবে।

মুশফিকুর রহিম নামে দ্বিতীয় বর্ষের এক শিক্ষার্থী বলেন, প্রশাসন ও যুবলীগ নেতাদের সঙ্গে কথা হয়েছে। সবাই এখন ছাত্রাবাসে ফিরে যাবেন। তবে দাবি না মানা হলে আবারও আন্দোলন হবে।

বগুড়া সদর থানার ওসি সাইহান ওলিউল্লাহ জানান, শিক্ষার্থীরা মামলা করতে এসেছিলেন। তাদের দাবি ছিল সব শিক্ষার্থীই মামলা বাদী হবেন। আইনে এর সুযোগ নেই। তারপরও বিষয়টি নিয়ে কাজ চলছিল। এর মধ্যে তারা সড়ক অবরোধ করেন। তবে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ সত্য নয়। 

এর আগে গত মঙ্গলবার বিকেল থেকে আইএচটি শিক্ষার্থীরা বগুড়া জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সজল ঘোষের বিরুদ্ধে শারীরিক নির্যাতন, হলে সিট বাণিজ্য, টাকার বিনিময়ে পরীক্ষায় পাশ করানোসহ নানা অভিযোগে আন্দোলন শুরু করেন। 

আরও পড়ুন

×