ঢাকা সোমবার, ০৪ মার্চ ২০২৪

দাফনের ৪ মাস পর গৃহবধূর মরদেহ উত্তোলন

দাফনের ৪ মাস পর গৃহবধূর মরদেহ উত্তোলন

প্রতীকী ছবি

চরফ্যাসন (ভোলা) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | ১৩:১১ | আপডেট: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | ১৬:৩৪

ভোলার চরফ্যাসনে দাফনের চার মাস পর কবর থেকে নুরজাহান নামে এক গৃহবধূর মরদেহ তোলা হয়েছে। গৃহবধূর বাবার করা হত্যা মামলায় আদালতের নির্দেশে শনিবার উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর আইচা গ্রামের একটি কবরস্থান থেকে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি তোলে শশীভূষণ থানা-পুলিশ।

শনিবার সকালে কবর থেকে গৃহবধূর মরদেহ তোলার সময় উপস্থিত ছিলেন- চরফ্যাসন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সালেক মুহিদ ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (লালমোহন সার্কেল) বাবুল আক্তার।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৯ সালে চরফ্যাসন উপজেলার দক্ষিণ চর আইচা গ্রামের আবদুল মালেকের ছেলে মো. জাকির হোসেনের সঙ্গে নুরজাহানের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন সময় যৌতুকের জন্য জাকির হোসেন তাঁর স্ত্রীকে মারধর করত। পরে ফাহিমা নামে এক নারীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে জড়ায় জাকির। ফাহিমাকে বিয়ে করতেই জাকির স্ত্রীকে হত্যা করেছে বলে মামলায় দাবি করেছেন নুরজাহানের বাবা মো. মোস্তফা।

গত ৫ জুলাই চরফ্যাসন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্টেট আদালতে দায়ের ওই মামলায় নিহতের স্বামী জাকির হোসেন, জাকিরের দ্বিতীয় স্ত্রী ফাহিমা, ভাই নুরুল হক, আইয়ুব আলী, বোন ছালমা ও নাছিমাকে আসামি করা হয়েছে।

বাদী মো. মোস্তফা জানান, গত ১১ মে স্বামীর বাড়িতে তাঁর মেয়ে নুরজাহান মারা যায়। স্ত্রীর মৃত্যুর ২২ দিন পর জাকির ফাহিমাকে বিয়ে করে ঘরে তোলে। পরে নুরজাহানের ছেলে ও মেয়েদের তাঁর বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়েছে। নাতি-নাতনিদের কাছ থেকে মেয়ের হত্যার ঘটনা জানতে পারেন তিনি।

শশীভূষণ থানার ওসি ম. এনামুল হক জানান, আদালতের নির্দেশে ময়নাতদন্তের জন্য কবর থেকে গৃহবধূর মরদেহটি তোলা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

×