সিলেট জেলার জাফলং, শ্রীপুর, ভোলাগঞ্জসহ সব পাথর কোয়ারি খুলে দেওয়ার দাবিতে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। ৭২ ঘণ্টার মধ্যে কোয়ারি খুলে না দেওয়া হলে অনির্দিষ্টকালের জন্য পণ্যবাহী সব ট্রাক চলাচল বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়। 

সোমবার জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেওয়ার পর আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তারা এ ঘোষণা দেন।

সিলেট জেলা ট্রাক, কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতি ও জেলা ট্রাক পিকাআপ কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়ন ও ১৭টি ট্রেড ইউনিয়ন, বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও সামাজিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা এ স্মারকলিপি দেন। পরে তারা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সিলেটের সব পাথর কোয়ারি বন্ধ রয়েছে। এতে মালিক-শ্রমিকসহ ছয় লাখ সাধারণ শ্রমিক মানবেতর জীবনযাপন করছেন। ব্যাংক লোন নিয়ে অনেক ব্যবসায়ী এখন বিপাকে। শ্রমিকরা অনাহারে দিন কাটচ্ছেন। ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সিলেট জেলার সব পাথর কোয়ারি খুলে দেওয়া না হলে অনির্দিষ্টকালের জন্য পণ্যবাহী সব ট্রাক চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হবে।

সিলেট জেলা ট্রাক পিকআপ কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আবু সরকারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আমির উদ্দিনের পরিচালনায় মানববন্ধনে প্রধান অতিথি ছিলেন সিলেট জেলা ট্রাক, কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতির সভাপতি সৈয়দ মকসুদ আহমদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা ট্রাক পিকআপ কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সহসভাপতি জুবের আহমদ, যুগ্ম সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, সহসম্পাদক আহমদ আলী স্বপন, ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি শাহনুর মিয়া প্রমুখ।

এতে একাত্মতা পোষণ করে জাফলং ট্রাক চালক সমবায় সমিতি, জাফলং বল্লাঘাট পাথর উত্তোলন ও সরবরাহ শ্রমিক বহুমুখী সমবায় সমিতি, পাথর শ্রমিক ইউনিট, জাফলং আঞ্চলিক শাখা, মোহাম্মদপুর মিতালী যুব সংঘ, ছৈলাখেল সমাজকল্যাণ যুবসংঘ, সূর্য তরুণ সমাজকল্যাণ সমিতি, মামার বাজার সমাজকল্যাণ যুবসংঘ, কোম্পানীগঞ্জ পাথর ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি, কোম্পানীগঞ্জ থানা ট্রান্সপোর্ট ব্যবসায়ী সমিতি, বৃহত্তর পাথর শ্রমিক ইউনিয়ন, পাথর উত্তোলনকারী শ্রমিক ইউনিয়ন ও বেলচা শ্রমিক ইউনিয়ন ও স্টোন ক্রাশার শ্রমিক ইউনিয়ন, পাথর উত্তোলনকারী মালিক সমিতি ও মিল ক্রাশার মালিক শ্রমিক ঐক্যজোট।