রাজশাহীর বাগমারার জাবের বাহিনীর প্রধান জাবের আলীকে চার সহযোগিসহ গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 

মঙ্গলবার রাতে উপজেলার বাসুপাড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে। 

গ্রেপ্তার অন্য চারজন হলেন- বাগমারা উপজেলার বাসুপাড়া ইউনিয়নের খয়রা গ্রামের বিনয় চন্দ্রের ছেলে নারায়ণ চন্দ্র সাহা (৩৯), বীরকয়া গ্রামের ইব্রাহীম হোসেনের ছেলে মোজাম্মেল হক (৩৬), একই গ্রামের সাবের আলীর ছেলে সামসুদ্দিন (৩৫) ও মন্দিয়াল গ্রামের মৃত. মফিজ উদ্দীনের ছেলে জফের আলী (৪৬)।

এলাকাবাসী জানায়, উপজেলার বাসুপাড়া ইউনিয়নের মন্দিয়াল গ্রামের জাবের আলী কয়েকটি গ্রামের যুবকদের নিয়ে একটি বাহিনী গড়ে তোলেন। আগে তিনি ইউপি চেয়ারম্যান লুৎফর রহমানের দেহরক্ষী হিসেবে কাজ করতেন। তখন থেকেই চেয়ারম্যানের হয়ে বিভিন্ন খালবিল দখল করতেন। পরে লুৎফরের সঙ্গেও তার বিরোধ হয়। এরপর এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেন জাবের। তার বিরুদ্ধে কেউ কথা বললেই তাকে মারপিট করতেন। কয়েকজনকে পিটিয়ে পঙ্গু করে দেয়া ছাড়াও এক নারীর স্তন কেটে দেয়ার অভিযোগ রয়েছে। এতকিছুর পরও ভয়ে কেউ মামলা করার সাহসও পেতেন না। গত ৩ ডিসেম্বর এক পুলিশ সদস্যর বাবা মোবারক হোসেনকে পিটিয়ে পা ভেঙে দেন। এঘটনায় তার স্ত্রী মামলা করলে গত ১৯ ডিসেম্বর পুলিশ তাকে যতিনগঞ্জ বাজার থেকে গ্রেপ্তার করে। ওই সময় সহযোগিরা এসে হ্যান্ডকাপসহ তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। 

বাগমারা থানার ওসি আতাউর রহমান বলেন, মঙ্গলবার দুপুরে হলুদঘর ঘর এলাকার জালাল উদ্দীন বাদী হয়ে জাবের আলীসহ ৪০-৫০ জনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজীসহ মারপিটের অভিযোগ এনে মামলা করেছেন। এর আগেও তাদের বিরুদ্ধে দুটি মামলা রয়েছে। গ্রেপ্তারদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।