হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার রুবেলকে যুবলীগ থেকে বহিষ্কার

প্রকাশ: ২৫ জানুয়ারি ২০২০     আপডেট: ২৫ জানুয়ারি ২০২০   

বগুড়া ব্যুরো

যুবলীগ নেতা রুবেল- সমকাল

যুবলীগ নেতা রুবেল- সমকাল

হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া বগুড়া সদর উপজেলার নুনগোলা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি রুবেল হোসেনকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।শুক্রবার রুবেল গ্রেপ্তার হওয়ার পর ওইদিনই যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, 'আজ (২৪ জানুয়ারি) শুক্রবার জুমার নামাজের পূর্বে স্থানীয় একটি সেলুনে চুলকাটা নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে বগুড়া সদর উপজেলার দশটিকা গ্রামের আবু সাঈদকে ছুরিকাহত করে হত্যা করার অপরাধে বগুড়া সদর উপজেলার নিশিন্দারা ইউনিয়নের যুবলীগ সভাপতি মো. রুবেল হোসেনকে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক সংগঠন থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।'

একই সঙ্গে তাকে কেন স্থায়ীভাবে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হবে না- মর্মে সংগঠনের চেয়ারম্যান/সাধারণ সম্পাদক বরাবর জবাব প্রদানের জন্য তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।

প্রসঙ্গত, শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নুনগোলা বাজারে একটি সেলুনে আগে-পরে চুলকাটার সিরিয়ালকে কেন্দ্র করে দুই তরুণের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। সেখানে কাঠ ব্যবসায়ী আবু সাইদ (৪০) উপস্থিত ছিলেন। তিনি ওই ২ তরুণকে সেখানে বাকবিতণ্ডা না করে অন্যত্র যেতে বলেন। এতে এক তরুণ ক্ষিপ্ত হয়ে সেখান থেকে চলে যান। কিছুক্ষণ পর ওই তরুণ সঙ্গে করে আরও ২ জনকে নিয়ে এসে আকস্মিকভাবে আবু সাইদের ওপর হামলা চালায়। এক পর্যায়ে আবু সাইদকে এলোপাথারি ছুরিকাঘাত করে। পরে তার চিৎকারে লোকজন ছুটে আসলে ওই তরুণরা পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত আবু সাইদকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে শহীদ জিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করার পর দুপুর আড়াইটায় মারা যান তিনি।

নিহত সাইদের বাবা তোজাম্মেল হোসেন, রুবেলকে ১ নম্বর আসামি করে ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতসহ ২৫ জনকে আসামি করে মামলা করেন ।  এ ঘটনায় পুলিশ রুবেল ও তার সহযোগী সীমান্তকে শুক্রবার রাতে গ্রেপ্তার করেন।

জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম ডাবলু জানান, এ খুনের ঘটনার সঙ্গে রুবেল হোসেন জড়িত থাকার বিষয়টি কেন্দ্রীয় কমিটিকে রাতেই জানানো হয়। এরপর রাতেই তাকে দল থেকে বহিষ্কার করে কেন্দ্রীয় কমিটি।

বগুড়া সদর থানার ওসি (তদন্ত) রেজাউল ইসলাম রেজা জানান, মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত আছে।