প্রার্থীর বাড়ি যাওয়া কূটনীতিকদের কাজ নয়: তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশ: ৩১ জানুয়ারি ২০২০   

 চট্টগ্রাম ব্যুরো

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ            -ফাইল ছবি

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ -ফাইল ছবি

কোনো প্রার্থীর বাড়ি যাওয়া কূটনীতিকদের কাজ নয় বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন চলাকালীন বিদেশি কূটনীতিকরা যেভাবে বিভিন্ন প্রার্থীর বাড়ি গেছেন সেটি কোনোভাবেই সমীচীন হয়নি। কোনো প্রার্থীর বাড়ি গিয়ে তাকে সহানুভূতি জানানো তাদের যেমন কাজ নয়, তেমনি এটি কূটনীতিরও কাজ নয়। এ ক্ষেত্রে কূটনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘিত হয়েছে।

শুক্রবার চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলায় ইডেন ইংলিশ স্কুলের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেওয়ার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

হাছান মাহমুদ আরও বলেন, 'নির্বাচন কমিশন যেভাবে বিভিন্ন দূতাবাসের কর্মকর্তাদের পর্যবেক্ষণ কার্ড দিয়েছে এবং সেখানে আবার ২৮ জন বাংলাদেশি অর্থাৎ বাংলাদেশি পাসপোর্টধারী। এটি কীভাবে দিয়েছে, কেন দিয়েছে, সে নিয়ে যদিওবা গতকাল নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে, এই ব্যাখ্যা গ্রহণযোগ্য নয়। এ ব্যাপারে কমিশনের আরও বেশি সতর্ক হওয়া প্রয়োজন ছিল।'

এদিকে ইডেন ইংলিশ স্কুলের এক বছরপূর্তি উপলক্ষে গুণীজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে ইংলিশের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের বাঙালি সংস্কৃতি শেখাতে হবে। শিক্ষার্থীদের বাংলা গান, নজরুলগীতি ও রবীন্দ্রসংগীত শেখাতে হবে।

মানবাধিকার নেত্রী কামরুন নাহার পায়রা উড়িয়ে অনুষ্ঠানের ও বিদ্যালয়ের নবনির্মিত মূল ভবনের উদ্বোধন করেন। পরে চট্টগ্রাম জেলায় শিক্ষা ক্ষেত্রে অবদান রাখার জন্য ১০৮ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের সম্মাননা স্মারক ও সনদ বিতরণ করেন তথ্যমন্ত্রী।

স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা খালিদ মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ইঞ্জিনিয়ার ড. রফিকুল ইসলাম, হাটহাজারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রাশেদুল আলম ও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহানুর তাসনিম। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের জেনারেল ম্যানেজার নিতাই কুমার ভট্টাচার্য, দৈনিক একুশে পত্রিকার সম্পাদক আজাদ তালুকদার, রাঙ্গুনিয়া উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রফিকুল আলম, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রোকেয়া বেগম এবং তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মনোয়ারা বেগম।