কিশোরীর আত্মহত্যা, মায়ের অভিযোগ ধর্ষণের কারণে

প্রকাশ: ০৬ জানুয়ারি ২০২০      

পঞ্চগড় প্রতিনিধি

মরিয়ম খাতুন

পঞ্চগড়ে মরিয়ম খাতুন (১৩) নামে এক কিশোরী আত্মহত্যা করেছে। মেয়েটির মায়ের অভিযোগ ধর্ষণের শিকার হয়ে আত্মহত্যা করেছে সে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত যুবককে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। 

জেলার সদর উপজেলার গরিণাবাড়ি ইউনিয়নের মোন্নাপাড়া গ্রামে সোমবার সকালে এই ঘটনা ঘটে। 

ওই গ্রামের মজিবর রহমানের মেয়ে মরিয়ম স্থানীয় ভাটাপুকুরি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

অভিযুক্ত পলাশ (২০) একই গ্রামের আজিত আলীর ছেলে এবং পেশায়  একজন রাজমিস্ত্রি। 

এ ঘটনায় ধর্ষণ ও আত্মহত্যার প্ররোচণার অভিযোগে পলাশের বিরুদ্ধে মরিয়মের মা মর্জিনা বেওয়া বাদী হয়ে সোমবার বিকেলে সদর থানায় মামলা করেছেন। 

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, সোমবার ভোরে নামাজের জন্য ঘুম থেকে উঠে ওই ছাত্রীর মা মর্জিনা বেওয়া দেখেন পাশেই শুয়ে থাকা মেয়েকে পলাশ মুখ চেপে ধরে ধর্ষণ করছে। এ সময় তিনি মাথার চুল ধরে পলাশকে আটকানোর চেষ্টা করলে তাকে ধাক্কা দিয়ে পলাশ পালিয়ে যায়। সকালে তিনি স্থানীয় লোকজনকে ঘটনাটি জানানোর কথা বলে মেয়েকে নিয়ে আবার শুয়ে পড়েন। সকাল সাড়ে ৬টায় তিনি ঘুম থেকে উঠে দেখেন তার মেয়ে ঘরে নেই। বাড়ির পাশে একটি গাছের ডালে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় মরিয়মের দেহ দেখতে পান তিনি। খবর পেয়ে ওই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলি।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সদর থানার এসআই মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, ধর্ষণ ও আত্মহত্যার প্ররোচণার অভিযোগে পলাশের বিরুদ্ধে মরিয়মের মা মর্জিনা বেওয়া মামলা করেছেন। এই মামলায় দুপুরে বাসা থেকে পলাশকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তবে থানা হাজতে গ্রেপ্তার পলাশ দাবি করে বলেন, প্রায় এক বছর ধরে মরিয়মের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ভোররাত পর্যন্ত মর্জিনার ঘরে একসঙ্গে থেকে ভোরে সে চলে আসে। পরে মায়ের সঙ্গে ঝগড়া করে মর্জিনা আত্মহত্যা করতে পারে।