উন্নয়নের সঙ্গে সমান্তরালে বাড়ছে বৈষম্য: মেনন

প্রকাশ: ১১ জানুয়ারি ২০২০   

চট্টগ্রাম ব্যুরো

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

সাবেক মন্ত্রী ও ওয়ার্কাস পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেছেন, ‘পাকিস্তান আমলের আন্দোলন এবং আমাদের স্বাধীনতার অন্যতম লক্ষ্য ছিল আঞ্চলিক বৈষম্য এবং ধন বৈষম্য কমানো। অথচ আজ স্বাধীন বাংলাদেশে উন্নয়নের সঙ্গে সমান্তরালে বাড়ছে বৈষম্য। অঞ্চলভেদেও বৈষম্য প্রকট হচ্ছে। বলা হচ্ছে দারিদ্র্যের হার গড় ২১ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে। অথচ কুড়িগ্রামসহ উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় এই হার ৭০ শতাংশ।’

শনিবার চট্টগ্রামের দলীয় কার্যালয়ে চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রতিনিধি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও চট্টগ্রাম জেলার সাধারণ সম্পাদক শরীফ চৌহানের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন দলের পলিটব্যুরোর সদস্য কামরুল আহসান, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট আবু হানিফ, মাসুদুর রহমান, চট্টগ্রাম জেলা কমিটির সদস্য দিদারুল আলম চৌধুরী, কক্সবাজার জেলার সাধারণ সম্পাদক মাঈনুদ্দিন শাহেদ, বান্দরবান জেলার সাধারণ সম্পাদক ইতেন ত্রিপুরা, যুব মৈত্রীর কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি কায়সার আলম, খাগড়াছড়ি জেলা প্রতিনিধি সুমতি রঞ্জন চাকমা প্রমুখ।

আগামী ৩১ জানুয়ারি নগরের লালদীঘি ময়দানে কেন্দ্রঘোষিত চট্টগ্রামের বিভাগীয় সমাবেশের আয়োজন নিয়ে এই প্রতিনিধি সভার আয়োজন করা হয়।

রাশেদ খান মেনন বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু সারাজীবন বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়েছেন। স্বাধীন দেশে কলঙ্কজনক হত্যাকাণ্ডের আগ পর্যন্ত তিনি সাধারণ মানুষের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। যদি মুজিববর্ষে সত্যিকারভাবে বঙ্গবন্ধুকে সম্মান জানাতে হয়, তাহলে বৈষম্য অবসানের রাজনৈতিক পদক্ষেপ নিতে হবে। আর সেটাই হবে বঙ্গবন্ধুর প্রতি যথার্থ শ্রদ্ধার্ঘ। বঙ্গবন্ধুকে প্রকৃত সম্মান জানাতে হলে ধনী-গরীবের বৈষম্য কমাতে হবে। বন্ধ করতে হবে মানুষে-মানুষে বৈষম্যও।’

এ সময় তিনি সব ধরনের বৈষম্য, অনাচার, সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে ওয়ার্কার্স পার্টি তার ২১ দফা নিয়ে লড়াই এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেন।