নারী নির্যাতন মামলায় এসআই কারাগারে

প্রকাশ: ১৪ জানুয়ারি ২০২০      

পাবনা অফিস

এসআই নাছির

নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানার এসআই নাছির আহম্মেদকে (৩৩) কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। 

পাবনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক এবং জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ওলিউল ইসলাম সোমবার এই আদেশ দেন। 

মামলা সূত্রে জানা গেছে, পাবনা শহরের কাচারীপাড়া মহল্লার মোস্তাক আহম্মেদের ছেলে এসআই নাছির আহমেদের সঙ্গে সদর উপজেলার বলরামপুর গ্রামের সাইফুল ইসলামের মেয়ে রুবিনা আক্তার রুনার ২০১২ সালের ২১ ডিসেম্বর বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন যৌতুকের জন্য বিভিন্ন ভাবে রুনাকে চাপ দিতে শুরু করে।এছাড়াও কয়েকবার শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়। পরে গত বছরের ২২ মার্চ নাছির আহম্মেদের পূর্বের কর্মস্থল রাজশাহী জেলার বোয়ালিয়া থানাধীন মালোপাড়া পুলিশ ফাঁড়ি থেকে স্ত্রী রুনাকে পাবনায় নিজ বাড়িতে নিয়ে আসেন। আসার পর রুনার কাছে ৫ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন এসআই নাছির। এ সময় রুনা যৌতুক দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে নাছির আহম্মেদ ও তারা বাবা-মা-বোন মিলে রুনাকে বেদম মারপিট করেন। খবর পেয়ে রুনার বাবা সাইফুল ইসলাম মেয়ের বাড়ি আসেন। এ সময় নাছির শ্বশুরের সামনেই রুনাকে পুনরায় মারপিট করে বাড়ি থেকে বের করে দেন। পরে সাইফুল ইসলাম মেয়েকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। স্থানীয় ভাবে আপোষ মিমাংশার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে এ ঘটনায় পাবনার বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল রুনার বাবা সাইফুল ইসলাম বাদি হয়ে নাছির আহম্মেদসহ তার বাবা-মা এবং বোনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হয়। সোমবার বিকেলে নাছির আহম্মেদ আদালতে আত্মসমর্পণ করলে বিচারক তার জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।