ফরিদপুরে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ১৩ মামলার আসামি নিহত

প্রকাশ: ১৫ জানুয়ারি ২০২০      

ফরিদপুর অফিস

প্রতীকী ছবি

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ এনায়েত হোসেন (৩৫) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। বুধবার ভোরে উপজেলার শেখর ইউনিয়নের বারাংকুল গ্রামের পিয় নাথ পাল-এর মেহগনি বাগানে এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।

নিহত এনায়েত হোসেন একই উপজেলার চতুল ইউনিয়নের বনচাকি গ্রামের মৃত মজিবর হোসেনের ছেলে। তার বিরুদ্ধে বোয়ালমারীসহ বিভিন্ন থানায় হত্যা, ধর্ষণ ও ডাকাতিসহ ১৩টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জামাল পাশা জানান, একাধিক হত্যা, ডাকাতি, ধর্ষণসহ ১৩টি মামলার আসামি এনায়েতকে আটকের পর তার দেওয়া তথ্য মোতাবেক অস্ত্র উদ্ধারের জন্য ওই বাগানে গেলে এনায়েতের সহযোগিরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এ সময় পুলিশের কাছ থেকে ছুটে দৌড়ে পালিয়ে যায় এনায়েত। হামলাকারীদের লক্ষ্য করে পুলিশও পাল্টা গুলি ছুড়লে তারা পালিয়ে যায় এবং এনায়েত গুলিবিদ্ধ হয়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় বাগান থেকে এনায়েতকে উদ্ধার করে বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুর রহমান জানান, গত ১৪ জানুয়ারী ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা থানার হাটফাজিলপুর বাজার এলাকা থেকে কুখ্যাত ডাকাত এনায়েত হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায় যে, ডাকাতিতে ব্যবহৃত অস্ত্র-শস্ত্র বোয়ালমারী থানাধীন বারাংকুলা গ্রামের জনৈক প্রিয় নাথ পাল-এর মেহগনি বাগানে লুকানো আছে। বাগানে থাকা অস্ত্র-শস্ত্রের বিষয়ে তার সহযোগী (সেকেন্ড ইন কমান্ড) মনির শিকদার অবগত আছে এবং সে যে-কোনো সময় অস্ত্রগুলো সরিয়ে নেবে বলেও সে জানায়। এনায়েত শেখ-এর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অস্ত্রগুলো উদ্ধারের জন্য পুলিশ ওই বাগানে অভিযান চালালে ডাকাতদের সাথে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে বলে জানান ওই কর্মকর্তা।

তিনি আরো জানান, এনায়েত হোসেন এর বিরুদ্ধে বোয়ালমারী থানা সহ বিভিন্ন জেলায় ডাকাতি, দস্যুতা, অস্ত্র, খুন, ধর্ষণসহ মোট ১৩টি মামলা রয়েছে।