এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর পৌর মেয়র জাহিদুল ইসলাম এবং কোটচাঁদপুর নার্সিং হোম ও ক্লিনিকের মালিক আজাদসহ ৪ জনের নামে মামলা হয়েছে। পুলিশ মামলার এক আসামি ক্লিনিকের আয়া গুলবানুকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে। 

বিষয়টি নিয়ে যোগাযোগ করা হলে পৌর মেয়র জাহিদুল ইসলাম বলেন, ঘটনার বিষয়ে কিছুই জানি না। একটি মহল আমাকে সমাজে হেয় করার জন্য এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসাবশত এ মামলা দিয়েছে। 

তবে ধর্ষণের শিকার নারী বুধবার সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন, ২০১৮ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ক্লিনিকে নিয়ে মৌলভী ডেকে কাবিননামা লিখে আজাদ তাকে বিয়ে করেন। পরে কাবিনের বিষয়টি ভুয়া বলে জানাজানি হলে তিনি আজাদকে ঘরে তোলার জন্য চাপ দেন। এ নিয়ে তিনি ওই বছর ২৬ আগস্ট দেখা করতে নার্সিং হোমে গেলে আজাদ তার সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডার একপর্যায়ে মোবাইল ফোনে মেয়র জাহিদুলকে ডেকে আনেন। এ সময় নার্সিং হোমের আয়া রুমা ও গুলবানু তাকে একটি কক্ষে আটক রাখেন। মেয়র জাহিদ ওই রুমে এলে তারা বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে দেন। এ সুযোগে জাহিদুল তাকে ধর্ষণ করেন। আসামিরা প্রভাবশালী হওয়ায় এতদিন তিনি বিষয়টি কাউকে জানাতে পারেননি।

এ ব্যাপারে কোটচাঁদপুর থানার ওসি মাহবুবুল আলম জানান, বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। মামলা দায়েরের পর থেকে তিন আসামি পলাতক রয়েছে।