সিরাজগঞ্জের তাড়াশে বৈদ্যুতিক সেচযন্ত্রের লাইসেন্স দেওয়ার নামে কৃষকের কাছ থেকে ঘুষের টাকা আনতে গিয়ে জনতার হাতে আটক হওয়া বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) তাড়াশ অফিসের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. ইসরাফিল হোসেনের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। 

রোববার সকালে টাঙ্গাইল জেলা বিএডিসির উদ্যান উন্নয়ন কেন্দ্রের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. শহিদুল ইসলাম তাড়াশ বিএডিসির অফিসে পৌঁছে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেন। তিনি ভুক্তভোগী একাধিক কৃষক, দেশীগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল কুদ্দুস সহ সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করেন। 

বিষয়টি কৃষিবিদ মো. শহিদুল ইসলাম সমকালকে নিশ্চিত করেছেন। 

এদিকে তাড়াশ অফিসের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. ইসরাফিল হোসেনের বিরুদ্ধে তদন্তের খবর শুনে অনেক ভুক্তভোগী কৃষক তদন্ত কর্মকর্তার দপ্তরে আসলেও শুধুমাত্র সংবাদপত্রে প্রকাশিত নাম থাকা কৃষকদের অভিযোগ নেওয়া হচ্ছে বলে তারা জানান। 

উল্লেখ্য, গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর বিএডিসির উপ-প্রকৌশলী ইসরাফিল হোসেন উপজেলার দেশীগ্রাম তালম ইউনিয়ন এলাকায় বৈদ্যুত্যিক সেচ যন্ত্রের আবেদনকারী কৃষকদের কাছ থেকে ঘুষের টাকা নিতে আসেন। সে সময়ে স্থানীয়রা তাকে আটক করে দেশীগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদে বসিয়ে রাখেন। পরে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মুচলিকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেন। 

এ ঘটনায় ১৭ ও ১৮  ডিসেম্বের দৈনিক সমকালসহ একাধিক জাতীয় ও আঞ্চলিক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়।