রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহর ক্যাম্পাসে উপস্থিতি নিয়ে টানানো হাজিরা খাতার বোর্ড চুরি হয়ে যাওয়ার পর তা দ্বিখণ্ডিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি আবারও নতুন করে একটি হাজিরা খাতার বোর্ড স্থাপন করা হয়েছে।

গত ২০ ফেব্রুয়ারি উপাচার্য ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহর ‘হাজিরা খাতা’ শিরোনামে বোর্ড স্থাপন করে শিক্ষকদের সংগঠন ‘অধিকার সুরক্ষা পরিষদ’। শেখ রাসেল চত্বরে এটি স্থাপনের পর ৩ মার্চ রাতে চুরি হয়ে যায়। ৫ মার্চ উপাচার্যের হাজিরা খাতা চুরি হওয়ার প্রতিবাদে এবং চোরদের ধরার জন্য রেজিস্ট্রার বরাবর লিখিত আবেদন করা হয়। এছাড়া তাজহাট থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন অধিকার সুরক্ষা পরিষদের আহ্বায়ক ও ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মতিউর রহমান ও সদস্যসচিব ফাইন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক খায়রুল কবীর সুমন।

সোমবার শেখ রাসেল চত্বরে একটি হাজিরা খাতা পুনরায় স্থাপন করা হয়। একই সঙ্গে ক্যাম্পাসের দুই নম্বর প্রধান ফটক সংলগ্ন পুলিশ ফাঁড়ির সামনে আরেকটি হাজিরা খাতা স্থাপন করা হয়।

অধিকার সুরক্ষা পরিষদ গত ৫ ফেব্রুয়ারি সংবাদ সম্মেলন করে উপাচাযের্র প্রায় অর্ধশত অনিয়ম-দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার খতিয়ান প্রকাশ করে। সেদিনই সংগঠনের নেতারা জানিয়েছিলেন, উপাচার্য ক্যাম্পাসে এলেই তাকে স্মারকলিপি দেওয়া হবে। তাকে ক্যাম্পাসে না পেয়ে শিক্ষকরা তার হাজিরা খাতা টানিয়ে দিয়েছেন।

পরে গত ১১ ফেব্রুয়ারি উপাচার্যকে না পেয়ে অধিকার সুরক্ষা পরিষদের পক্ষে স্মারকলিপি একটি ব্যানারে লিখে উপাচার্যের কার্যালয়ের দরজা বরাবর সেঁটে দেওয়া হয়েছিল। সেই স্মারকলিপি প্রক্টর অফিস থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছিল। এর প্রতিবাদে নিন্দা জানিয়ে রেজিস্ট্রার বরবার লিখিত অভিযোগ দিয়েছিল পরিষদ। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি