বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টা ৫৪ মিনিট। দিনাজপুর কোতয়ালী থানার সামনে পুলিশের একটি গাড়ি অপেক্ষা করছে ৪ আসামিকে আদালতে নিয়ে যাওয়ার জন্য। কিছুক্ষণ পর থানা থেকে ৪ আসামিকে নিয়ে আসা হয় গাড়ির সামনে। গাড়িতে উঠানোর আগেই তাদের শরীরে, হাতে-পায়ে স্প্রে করা হয় জীবানুনাশক। প্রত্যেক আসামির শরীরে ভালভাবে স্প্রে করার পরই তাদের ওঠানো হয় ওই গাড়িতে। 

আদালতে নিয়ে যাওয়া ওই ৪ জনই মোটরসাইকেল চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য। গ্রেপ্তারের পর বেশ কয়েকবার তাদের আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু এবারই প্রথম তাদের ‘জীবানুমুক্ত’ করতে এমন খাতির পুলিশের। 

স্প্রে করার দায়িত্বে থাকা একজন কনস্টেবল বলেন, বোতলের মধ্যে স্যাভলন বা ডেটল ও পানি ছাড়াও অন্যান্য জীবানুনাশক রয়েছে। এসব স্প্রে করা হচ্ছে যাতে করে আসামিরাও করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষিত থাকে। তাছাড়া আসামিদের আদালতে নিতে যে গাড়িটি ব্যবহৃত হয়েছে সেটিও যাতে জীবানুমুক্ত থাকে। 

কোতয়ালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) বজলুর রশিদ বলেন, আসামিকে সুরক্ষা দেওয়া পুলিশের দায়িত্ব। এখন করোনা নিয়ে সবাই সচেতন। এই আসামিদেরকে রাতে আটক করা হয়েছে, কাদের সঙ্গে মিশেছে সেটা বলা অসম্ভব। আবার তাদেরকে আদালতে পাঠানো হচ্ছে, সেখানেও অনেকের সঙ্গে মিশবে। যাতে করে তাদের শরীরে কোন ধরনের ভাইরাস উপস্থিত না থাকতে পারে সেজন্য এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি আসামির ক্ষেত্রেই এটি করা হচ্ছে।