কুমিল্লা নগরীর সংরাইশে ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় প্রতিপক্ষের হামলায় আবদুল মতিন (৬০) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। আহত অবস্থায় ঢাকার একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সোমবার সকালে তার মৃত্যু হয়। 

নিহত আবদুল মতিন ওই এলাকার মৃত মনা মিয়ার ছেলে। তিনি কুমিল্লার চকবাজারে চালের আড়তের ব্যবসায়ী ছিলেন। 

এর আগে রোববার সন্ধ্যায় নগরীর সংরাইশ শিশু উদ্যান এলাকায় ইভটিজিং সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে দুইপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় মতিনের ছেলে এবং ভাতিজাসহ দুইপক্ষের ৪/৫ ব্যক্তি আহত হয়েছেন। 

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আলামিন নামে এক ব্যক্তির নেতৃত্বে এই হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আলামিন সংরাইশ এলাকার ইদু মিয়ার ছেলে।

কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের স্থানীয় কাউন্সিলর জাহাঙ্গীর আলম বাবুল জানান, ইভটিজিং নিয়ে প্রথমে নিহত মতিনের ভাতিজা অভিযুক্ত আলামিনের বন্ধুকে বাধা দেয়। বাধা দেওয়া ঘটনার সূত্র ধরে আলামিন ও তার সহযোগীরা মতিনের বাড়িতে হামলা ও মারধর করে। হামলায় মতিন, তার ছেলে এবং বাতিজা আহত হন। গুরুতর অবস্থায় 

মতিনকে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

প্রতিপক্ষের হামলায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক ব্যক্তি মারা গেছে নিশ্চিত করে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনারুল হক জানান, হামলার পর আহত অবস্থায় আবদুল মতিনকে ঢাকার একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সকালে তার মৃত্যু হয়। লাশ বর্তমানে ঢাকায় আছে। হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে হৃদয় (২৫) নামে এক তরুণকে গ্রেফতার করা হয়েছে। হামলার শিকার ব্যক্তিদের অভিযোগ অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।