খুলনা ও সিলেটে মঙ্গলবার থেকে করোনা পরীক্ষা

প্রকাশ: ০৬ এপ্রিল ২০২০     আপডেট: ০৬ এপ্রিল ২০২০   

খুলনা ও সিলেট ব্যুরো

করোনাভাইরাস শনাক্তে খুলনা ও সিলেটে মঙ্গলবার থেকে পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। এ জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজের (খুমেক) তৃতীয় তলায় পিসিআর মেশিন স্থাপনের কাজ শেষ হয়েছে। 

সিলেটে প্রস্তুত করা হয়েছে এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পলিমার্স চেইন রিঅ্যাকশন (পিসিআর) ল্যাব।

খুমেকের অধ্যক্ষ ডা. আবদুল আহাদ জানান, মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র তালুকদার আবদুল খালেক প্রধান অতিথি হিসেবে খুমেকের মলিকুলার ল্যাবটি উদ্বোধন করবেন।

কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ইতোমধ্যে করোনা পরীক্ষার জন্য প্রায় ৭০০ কিট পৌঁছেছে। খুলনা বিভাগের সব হাসপাতাল থেকে সন্দেহভাজন রোগীর স্যাম্পল সংগ্রহ করে এখানে পরীক্ষা করা হবে। এ ল্যাবে প্রতিদিন ৯০টি স্যাম্পল পরীক্ষা করা যাবে। রিপোর্ট পেতে চার ঘণ্টার মতো সময় লাগবে।

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মুন্সী রেজা সেকেন্দার জানান, বিভাগের করোনা রোগীর চিকিৎসা দেওয়া হবে খুলনা ডায়াবেটিক হাসপাতালে। ইতোমধ্যে ৮০টি শয্যা প্রস্তুত করা হয়েছে। চারটি আইসিইউ শয্যা প্রস্তুত করা হয়েছে, সব মিলিয়ে ১০টি আইসিইউ শয্যা চালু করা হবে।

এদিকে, সিলেটে এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ল্যাবে একসঙ্গে ৯৪টি স্যাম্পল পরীক্ষা করা যাবে। সময় লাগবে চার থেকে ছয় ঘণ্টা। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিদ্ধান্তে গত ৩০ মার্চ করোনা পরীক্ষার বিশেষায়িত ল্যাব স্থাপনের জন্য মেশিন ও কিট ওসমানী হাসপাতালে পাঠানো হয়। প্রথম অবস্থায় পাঁচশ' কিট দেওয়া হলেও পর্যায়ক্রমে আরও কিট দেওয়া হবে।

ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. হিমাংশু লাল রায় বলেন, আপাতত সবাইকে পরীক্ষা করা হবে না। সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরা যাদের সন্দেহ করবেন তাদের স্যাম্পল সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হবে। তিনি বলেন, এতদিন ঢাকায় আইইডিসিআরে স্যাম্পল পাঠিয়ে রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করতে হতো। এখন যে সময় বাঁচবে তা চিকিৎসার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সিলেটে করোনাভাইরাসের সন্দেহভাজন রোগীদের নগরীর শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে রাখা হচ্ছে। এখানে ১০০ শয্যার আইসোলেশন ইউনিট স্থাপন করা হয়েছে।