ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অজ্ঞান হয়ে পড়েছিলেন জ্বর ও সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত এক যুবক। সঙ্গে বাবা-ভাই, আত্মীয়-স্বজন কেউই ছিলেন না। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ও পুলিশের উদ্যোগে হাসপাতালের একজন স্বাস্থ্য কর্মীকে দিয়ে তাকে পাঠানো হয় সিলেটের শামছুদ্দিন হাসপাতালে। 

ওই যুবকের নাম জসিম উদ্দিন। তিনি ছাতকের উত্তর খুরমা ইউনিয়নের আমেরতল গ্রামের আব্দুল করিমের ছেলে। অসুস্থ জসিম নারায়ণগঞ্জে গার্মেন্ট শ্রমিক ছিলেন। 

সম্প্রতি জ্বর, সর্দি ও কাশি নিয়ে নারায়ণগঞ্জ থেকে ছাতকের নোয়ারাই ইউনিয়নের জয়নগর গ্রামে বোনের বাড়িতে ফিরেন জসিম। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮ টায় ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একাই আসেন তিনি। হঠাৎ করে অজ্ঞান হয়ে মেঝেতে পড়ে যান তিনি। অনেক সময় মেঝেতেই পড়ে থাকেন এই রোগী।

ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডা. রাজিব চক্রবর্তী জানান, এক রোগী অজ্ঞান হয়ে মেঝেতে পড়ে আছে শুনে এসে তার চোখে মুখে পানি দিই, এতে তার জ্ঞান ফিরে। জ্বর থাকায় তাকে কিছু খাইয়ে প্যারাসিটামল খাওয়ানো হয়। পরে তার নাম-পরিচয় জেনে উত্তর খুরমা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বিল্লাল হোসেনের মাধ্যমে তার বাবা ও ভাইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। কেউই আসতে রাজি না হওয়ায় হাসপাতালের একজন স্টাফ দিয়ে রোগীকে সিলেটের শামছুদ্দিন হাসপাতালে পাঠানো হয়। 

এই রোগী করোনা পজিটিভ হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে সন্দেহ করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।