করোনাভাইরাস ও ঘূর্ণিঝড় আম্পানের মতো দুর্যোগকালীণ সময়েও প্রকল্পের পরামর্শক, ঠিকাদার, দেশী বিদেশী প্রকৌশলী, নির্মাণ শ্রমিক ও উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সহায়তায় পদ্মা সেতু প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। তবে কাজের অগ্রগতির হার কিছুটা কমেছে। স্বাভাবিক পরিস্থিতির মতো অগ্রগতি চলমান রাখার ইচ্ছে ও লক্ষ্য থাকলেও প্রকৃতির সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে এগিয়ে নিতে চাইলে কাজের মান বিনষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। 

তবে চলতি মে মাসের শেষ দিকে সেতুর ৩০ তম স্প্যান জাজিরা প্রান্তের ২৬ ও ২৭ নম্বর খুঁটির উপর স্থাপন করা হবে। ইতোমধ্যে স্প্যানটির ট্রাসের চূড়ান্ত রঙের কাজ শেষ হয়েছে। বর্তমানে হ্যান্ড রেল, স্টেয়ার, ব্যালান্স লোড স্থাপনের কাজ চলছে। পদ্মা সেতুর (মূল সেতু) নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান মো. আবদুল কাদের এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, ৩০ এবং ৩১তম স্প্যানটি শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি চ্যানেলের মাঝে অবস্থিত। ৩১তম স্প্যানটি বর্তমানে পেইন্টিং কাজ চলমান। আগামী ১৫ জুনের মধ্যে ৩১তম স্প্যানটিও ২৫ ও ২৬ নম্বর খুঁটির ওপর বসানো সম্ভব হবে।

প্রকল্পের দায়িত্বশীল প্রকৌশলী সূত্রে জানা গেছে, ৩০ ও ৩১তম স্প্যান দুইটি বর্ষা মৌসুমের আগেই খুঁটির ওপর বসানো সম্ভব হলে জাজিরা প্রান্তের সকল স্প্যান বসানো শেষ হয়ে যাবে। শুধু মাওয়া প্রান্তে বাকী থাকবে ১০টি স্প্যান স্থাপন করার কাজ। মাওয়া প্রান্ত দিয়ে মূল পদ্মা নদী প্রবাহিত হওয়ায় বর্ষা মৌসুমে স্রোতের সঙ্গে পলিমাটি এসে চর পড়ার আশঙ্কা থাকবে না। একই সঙ্গে বর্ষাকালীন বা পরবর্তী সমযে দ্রুত খুঁটির ওপর স্থাপন সম্ভব হবে।