চিকিৎসক দম্পত্তিসহ সিরাজগঞ্জে নতুন আরও ৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় করোনা রোগীর সংখ্যা বেড়ে ২৪ জনে দাঁড়িয়েছে। তাড়াশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালের আক্রান্ত ওই চিকিৎসক দম্পত্তি বর্তমানে ঢাকায় নিজ দায়িত্বে হোম কোয়ারেন্টাইনে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে সিভিল সার্জন ডা. জাহিদুল ইসলাম রোববার জানিয়েছেন।

এদিকে সিরাজগঞ্জ শহীদ এম.মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পিসিআর ল্যাবে কোভিড-১৯ শনাক্তকারী পরীক্ষায় শনিবার নমুনা তোলা হলেও কারিগরি ও সফটওয়ার ত্রুটির কারণে কার্যক্রম ঝুলে গেছে। ল্যাব ইনচার্জ মাইক্রেবায়োলজি বিভাগের সহকারী

অধ্যাপক ডাঃ মোঃ সাইফুল ইসলাম জানান, ‘সিভিল সার্জন অফিস থেকে ১’শ ১২টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। মেশিনে নমুনা তোলার পর পরই বিএসএল-২এর হুড আলট্রা ভায়োলেট রশ্নি হঠাৎ অকার্যকর হয়ে পড়ে। সরবরাহকারী ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলীদের ডাকা হয়েছে। ত্রুটি মেরামতের পর পরীক্ষা শুরু হতে পারে।’

অধ্যক্ষ ডা. নজরুল ইসলাম জানান, ‘প্রকল্পের পরিচালকের মাধ্যমে সরবরাহকৃত পিসিআর মেশিনটি নিয়ে আমরা খুবই বিব্রতকর পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছি। প্রায় দেড় কোটি টাকায় কেনা পিসিআর মেশিনটি ব্যবহার না করে দীর্ঘদিন স্টোররুমে প্যাকেটবন্দি ছিল। স্থানীয় সাংসদ প্রফেসর ডা. হাবিবে মিল্লাত মুন্না গত ১১ মে এটি অবমুক্ত করে সচল করার উদ্দ্যোগ নেন। সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম গত ১৯ মে পিসিআর ল্যাবের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। 

এ বিষয়ে প্রকল্প পরিচালক ডাঃ কৃষ্ণ কুমার পাল বলেন, মেশিনটি আমেরিকার তৈরি। মেশিন অপারেট করার জন্য যা কিছু দরকার সবই সরবরাহ করা হয়েছে। নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা হবে, এটিই স্বাভাবিক। অপারেটররা চালাতে গিয়ে সফটওয়ার উল্টেপাল্টে ফেলছেন।