ঈশ্বরগঞ্জে খাদ্যগুদাম সিলগালা, ৪ টন চাল জব্দ

প্রকাশ: ২৬ মে ২০২০   

ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ছবি: সমকাল

ছবি: সমকাল

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে একটি সরকারি খাদ্য গুদামে প্রায় ৪ টন চাল জব্দ ও গুদাম সিলগালা করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মো. জাকির হোসেন ওই অভিযান পরিচালনা করেন।

জনা যায়, উপজেলার আঠারবাড়ি খাদ্য গুদামে অবৈধ উপায়ে প্রায় চার টন চাল মজুদ করা হয়। ১০ টাকা কেজি দরে নান্দাইল উপজেলায় বিতরণের চাল সিন্ডিকেট চক্র ক্রয় করে তা খাদ্য গুদামে মজুদ রাখে। গত রোববার খাদ্য গুদামের এক নম্বর ভবনে প্লাস্টিক ও অন্যান্য বস্তায় রাখা হয়। খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আশরাফ আলীর জোগসাজসে গুদামে এসব চাল প্রবেশ করানো হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। খবর পেয়ে মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জাকির হোসেন খাদ্য গুদামে অভিযান পরিচালনা করেন।

ওই সময় ৭৯ বস্তায় ৩৯৫০ কেজি চাল পাওয়া যায়। চাল গুলো স্থানীয় সিন্ডিকেট ব্যবসায়ী মিলন মিয়া গুদামে রাখতে চাপ দেয় বলে জানায় ভারপ্রাপ্ত খাদ্য কর্মকর্তা। এসব চাল অভ্যন্তরীণ বোরো সংগ্রহ আওতায় সংগ্রহ দেখিয়ে বিল করা হতো। বিল করা হতো তালিকাভুক্ত মিলার ফরিদা রাইস মিলের নামে।

কিন্তু অবৈধ ভাবো চাল গুদামে রাখায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জাকির হোসেন ৭৯ বস্তা চাল জব্দ করেন। একই সাথে গুদামটি সিলগালা করা হয়। ওই সময় মিলাকে কালোতালিকা ভুক্ত, জড়িত সকলের বিরুদ্ধে মামলা, খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনী ব্যবস্থা নিতে খাদ্য বিভাগের উধ্বর্তন কর্মকর্তাদের চিঠি প্রদানের সিদ্ধান্ত হয়।

অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আশরাফ আলী বলেন, স্থানীয় ও সিন্ডিকেট চক্রের চাপে চাল গুলো রাখতে তিনি বাধ্য হন। চাল গুলো ফরিদা রাইস মিলের নামে বিল হওয়ার কথা ছিলো। তবে এ ধরণের কাজ তিনি ইতোপূর্বে করেননি দাবি করেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জাকির হোসেন বলেন, ১০ টাকা কেজি দরে বিক্রির জন্য চাল নান্দাইল উপজেলা থেকে সংগ্রহ করে খাদ্য গুদামে প্লাস্টিকের বস্তায় মজুদ করা হয়েছিল। অভিযানে গিয়ে চাল গুলো জব্দ করে গুদাম সিলগালা করা হয়েছে।