কক্সবাজারে আরও ৪ এলাকা লকডাউন

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২০     আপডেট: ০৮ জুন ২০২০   

কক্সবাজার অফিস

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

করোনাভাইরাসের (কভিড-১৯) সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় কক্সবাজার জেলার চারটি এলাকা লকডাউন করেছে প্রশাসন।

টেকনাফ পৌর এলাকা, চকরিয়া পৌর এলাকা ও উপজেলার ডুলহাজারা ইউনিয়ন এবং উখিয়া উপজেলার কোটবাজার স্টেশন ও আশাপাশের ৩টি ওয়ার্ডকে নতুন করে ‘রেড জোন’ ঘোষণা দিয়ে লকডাউন করা হয়েছে। 

রোববার সকাল ১১টায় কক্সবাজারের কয়েকটি এলাকাকে ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনায় ‘রেড জোন’ ঘোষণা দিয়ে লকডাউন করার এ তথ্য জানান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ও জেলা করোনা প্রতিরোধ সংক্রান্ত কমিটির সমন্বয়ক মো. আশরাফুল আফসার। 

এর আগে, শনিবার থেকে কক্সবাজার পৌর এলাকাকে দেশের ‘প্রথম রেড জোন’ ঘোষণা করে ফের লকডাউন করা হয়েছিল।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জানিয়েছেন, করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে জেলার কয়েকটি এলাকাকে ঝূঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে প্রশাসন। প্রাথমিকভাবে প্রশাসন এসব এলাকাকে ‘রেড জোন’ ঘোষণা দিয়ে লকডাউন করেছে। 

তিনি বলেন, করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ও মৃত্যুর হার বিবেচনায় প্রশাসন কক্সবাজার পৌর এলাকাকে দেশের প্রথম রেড জোন ঘোষণা দিয়ে শনিবার সকাল থেকে লকডাউন করেছিল। পাশাপাশি এ নিয়ে প্রশাসন জেলার আরো কয়েকটি এলাকাকে ঝূঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বলেন, রোববার সকাল থেকে জেলার ঝূঁকিপূর্ণ আরো ৪টি এলাকাকে নতুন করে রেড জোন ঘোষণা দিয়ে লকডাউন করেছে প্রশাসন। আগামী ২১ জুন রাত ১২টা পর্যন্ত পর্যন্ত রেড জোন ঘোষিত এসব এলাকা লকডাউনের আওতায় থাকবে। 

লকডাউনের আওতায় থাকা এসব এলাকায় ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাজনৈতিকসহ সব ধরনের সভা-সমাবেশ বা গণজমায়েত বন্ধ থাকার পাশাপাশি কাঁচা বাজার, মুদির দোকান, মার্কেট ও বিপণী বিতান বন্ধ রাখার নির্দেশনা দিয়েছে প্রশাসন। বন্ধ থাকবে ব্যক্তিগত ও যে কোন ধরনের গণপরিবহন। এসময় মানুষকে ঘরে অবস্থানের নির্দেশনাও রয়েছে। 

শুধু ফার্মেসিসহ স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ও পরিবহন ও কোভিড-১৯ মোকাবিলার কাজে ব্যবহৃত গাড়ি চলাচল করতে পারবে। এছাড়া সপ্তাহের রোববার ও বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত আকারে খোলা থাকবে কাঁচা বাজার ও মুদির দোকানসহ নিত্যপণ্যের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো।

এদিকে কক্সবাজার পৌর এলাকায় লকডাউন শুরুর দ্বিতীয় দিন রোববার সকাল থেকে প্রধান সড়ক সহ উপসড়ক ও অলিগলিতে প্রথমদিনের তুলনায় বেশি সংখ্যক যানবাহন ও মানুষের চলাচল লক্ষ্য করা গেছে। খুলেছে বেশ কিছু দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। ফুটপাতে বসেছে হকাররা।

তবে লকডাউনের নির্দেশনা মত কাঁচা বাজার ও মুদির দোকানসহ কিছু নিত্যপণ্যের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার প্রশাসনিক নির্দেশনা থাকায় লকডাউনের দ্বিতীয় দিন রোববারে সড়কে মানুষের চলাচল বেড়েছে বলে প্রশাসনের সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।