রাজশাহীর বাঘায় প্রতিপক্ষের হাতুড়ি পেটায় হৃদয় আহম্মেদ নামের এক কলেজছাত্র নিহত হয়েছেন। বুধবার রাতে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। হৃদয় বাঘা উপজেলার কলিগ্রামের দিন মোহাম্মেদ ওরফে দুখুর ছেলে। এ ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

স্থানীয়রা জানান, বুধবার দুপুর আড়াইটার দিকে নিজ বাড়ির সীমনায় মেহগনি ও মাদার গাছের ডাল কাটছিলেন হৃদয়। পাশের বাড়ির রকসেদ আলীর ছেলে সাদেক আলী ওই গাছ তার জমির বলে দাবি করেন। এই নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে হাতুড়ি, লোহার রড, লাঠি নিয়ে হৃদয় ও তার লোকজনের ওপর হামলা করে সাদেক আলী ও তার ছেলে সুজন আলীর লোকজন। এ সময়  মাথায় ও ঘাড়ে হাতুড়ির আঘাতে গুরুতর আহত হন হৃদয় আহম্মেদ। এছাড়া হামলায় দিল মোহাম্মদ দুখু ও তার ছেলে সাব্বির আহম্মেদ আহত হন। এ সময় মারামারিতে সাদেক আলী, তার ছেলে সুরুজ ও ফরিদের ছেলে মারুফ আহত হয়েছেন। দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে তাদের বাঘা হাসপাতালে নেওয়ার পর জরুরি বিভাগের চিকিৎসক হৃদয় ও তার ভাই সাব্বিরকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। রাত সাড়ে ৮টার দিকে রামেক হাসপাতাল থেকে ঢাকায় নেওয়ায় পথে মারা যান হৃদয়। অন্য আহতরা স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।

বাঘা থানার ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা হয়েছে। মামলার আসামি সাদেক আলী, রুমিয়া বেগম, আজমিরা বেগম ও কল্পনা খাতুনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।