কিশোরগঞ্জে নতুন করে ২৭ জনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলার ১৩ উপজেলায় এক হাজার ৫৭৯ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হলো। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন এক হাজার ১১৬ জন। মারা গেছেন ২৪ জন।

শুক্রবার পাওয়া নমুনা পরীক্ষার নতুন রিপোর্টে জেলায় নতুন করোনা শনাক্ত হওয়া ২৭ জনের মধ্যে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলায় সর্বোচ্চ ১০ জন, করিমগঞ্জ উপজেলায় ৪ জন, তাড়াইল উপজেলায় ২ জন, কটিয়াদী উপজেলায় ২ জন, কুলিয়ারচর উপজেলায় ১ জন, ভৈরব উপজেলায় ৪ জন ও নিকলী উপজেলায় ৪ জন রয়েছেন।

অন্যদিকে নতুন করে জেলায় ৮৫ জন করোনাভাইরাস মুক্ত হয়ে সুস্থ হয়েছেন। ল্যাবে মোট ২৩৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করে নতুন করে ২৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। ২ জুলাই পর্যন্ত কিশোরগঞ্জ জেলায় করোনা শনাক্তের সংখ্যা ছিল ১৫৫২ জন।

এ দিকে জেলায় করোনাভাইরাস থেকে নতুন করে ৮৫ জন সুস্থ হয়েছেন। এর আগে জেলায় সুস্থ হওয়ার সংখ্যা ছিল ১০৩১ জন। ফলে সুস্থ হওয়ার সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১১৬ জন।

বর্তমানে অন্য জেলায় শনাক্তকৃত ২ জন করোনা পজেটিভসহ জেলায় মোট ৪৪১ জন করোনা রোগী এবং ৭ জন সাসপেক্টটেড/নেগেটিভ বিভিন্ন হাসপাতাল ও নিজ বাড়িতে আইসোলেশনে রয়েছেন। ৩ জুলাই কিশোরগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. মো. মুজিবুর রহমান এ সব তথ্য জানান।

ডা. মো. মুজিবুর রহমান জানান, উপজেলাওয়ারী হিসাবে, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার ৩৪৫ জন, হোসেনপুর উপজেলার ৩৬ জন, করিমগঞ্জ উপজেলায় ১০৭ জন, তাড়াইল উপজেলায় ৭৮ জন, পাকুন্দিয়ায় উপজেলায় ৭১ জন, কটিয়াদী উপজেলায় ৯২ জন, কুলিয়ারচর উপজেলায় ১০১ জন, ভৈরব উপজেলায় ৫২০ জন, নিকলী উপজেলায় ২৯ জন, বাজিতপুর উপজেলায় ১২২ জন, ইটনা উপজেলায় ২৯ জন, মিঠামইন উপজেলায় ৩৭ জন ও অষ্টগ্রাম উপজেলায় ১২ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

তাদের মধ্যে ২৪ জন মৃত ব্যক্তি রয়েছেন। সর্বশেষ গত ২৮ জুন সকালে কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাড়াইলের প্যাথলজি ব্যবসায়ী মাজহারুল হক রানা (৬৫) করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।