ফুলবাড়িয়ায় এলজিএসপির ইউড্রেন নির্মাণ

রডের বদলে বাঁশ দেওয়া সেই মেম্বার বরখাস্ত

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২০   

ফুলবাড়িয়া (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

মোহাম্মদ আলী- ফাইল ছবি

মোহাম্মদ আলী- ফাইল ছবি

লোকাল গভর্ন্যান্স সাপোর্ট প্রজেক্ট-৩ এর (এলজিএসপি) আওতায় বক্স কালভার্ট (ইউড্রেন) নির্মাণে রডের বদলে বাঁশ ব্যবহার করা সেই ইউপি সদস্য (মেম্বার) মোহাম্মদ আলীকে (আলম) সাময়িক বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ।

মঙ্গলবা বিকেলে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে জারিকৃত প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

সোমবার সমকালে ‘রডের বদলে বাঁশ দিয়েছেন মেম্বার’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশে বিষয়টি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম এমপির নজরে আসলে তিনি তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। পরে মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ সিদ্ধান্ত নিয়ে এ প্রজ্ঞাপন জারি করেন।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘এলজিএসপি-৩ এর আওতায় ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ার এলুঙ্গি কান্দানিয়া রাস্তার কালির চালা হতে পান্নাবাড়ি রাস্তায় তালেব আলীর ক্ষেতের পাশে এবং কালির চালা হতে পান্নাবাড়ি রাস্তায় খাপসার খালে ইউড্রেইন নির্মাণ কাজে রড ব্যবহার না করে বাঁশ দিয়ে চালাই এর কাজ করার জন্য তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।’

ইউড্রেইন নির্মাণ অনিয়মের বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গত ৪ই জুলাই প্রকাশিত হওয়ার পরের দিন ৫ই জুলাই ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক, এ কে এম গালিব খান, ইউএনও আশরাফুল সিদ্দিক সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম সাইফুজ্জামানসহ এলাকার ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে সরেজমিনে তদন্তে ঘটনার সত্যতা পায়।

অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রতিবেদন প্রেরণের প্রেক্ষিতে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য মোহাম্মদ আলীকে বরখাস্ত করা হয়।

মোহাম্মদ আলী ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়িয়া উপজেলার ১২ নং আছিমপাটুলি ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য এবং এই ইউড্রেইন নির্মাণ কাজের জন্য নেয়া প্রকল্প কমিটির সভাপতি ছিলেন তিনি।

উল্লেখ্য, আছিম-পাটুলী ইউনিয়নে এলজিএসপির আওতায় ২৫ লাখ ৫৬ হাজার টাকার বেশি ব্যয়ে ১০ টি প্রকল্প নেওয়া হয়। এর মধ্যে ৮ নং ওয়ার্ডের এলঙ্গি-কান্দানিয়া রাস্তার কালির চালা থেকে পান্না বাড়ির সড়কের তালেব আলীর জমির পাশে দুই লাখ টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প ছিল।