লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার বড়খেরী ইউনিয়নের সেই ডিলারের বিরুদ্ধে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে অনিয়মের অভিযোগ তদন্তে কমিটি গঠন করা হয়েছে। 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আব্দুল মোমিন মঙ্গলবার তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

তিন সদস্যবিশিষ্ট এ তদন্ত কমিটিতে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. শামছুল হুদাকে আহ্বায়ক, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. মোকাররম হোসেন ও উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মোহাম্মদ ওমর ফারুককে সদস্য করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির কার্ড থাকা সত্ত্বেও উপজেলার বড়খেরী ইউনিয়নের তিন হতদরিদ্র চার বছর ধরে কোনো চাল পাননি। অভিযোগ উঠে, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলার একই ইউনিয়নের সংরক্ষতি নারী সদস্য শামছুর নাহার লাবণীর স্বামী মো. ফারুক কার্ড ও মাস্টাররোলে জাল স্বাক্ষর করে চালগুলো বিতরণ দেখিয়ে আত্মসাৎ করেন। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ওই তিন হতদরিদ্র উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে একটি লিখিত আবেদন করেন। এ নিয়ে গত ১২ জুলাই দৈনিক সমকালে ‘খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে অনিয়ম: চার বছর পর জানলেন তাদের নামে কার্ড আছে’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। পরে ঘটনাটি সুষ্ঠু তদন্তের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তিন সদস্যবিশিষ্ট এ কমিটি গঠন করেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আব্দুল মোমিন জানান, আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত কমিটিকে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। তদন্তে অভিযুক্ত ডিলারের অনিয়ম ধরা পড়লে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।