ত্রাণের জন্য...

প্রকাশ: ২৮ জুলাই ২০২০     আপডেট: ২৮ জুলাই ২০২০   

সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি

ত্রাণের জন্য হাঁটুপানিতে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছে মানুষ -সমকাল

ত্রাণের জন্য হাঁটুপানিতে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছে মানুষ -সমকাল

ত্রাণের জন্য হাঁটু পানিতে গাদাগাদি করে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছিল বানভাসিরা। অভাবের তাড়না এবং পেটের ক্ষুধা  যেন হার মানিয়েছে করোনার ভয়কে। 

মঙ্গলবার গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের মাদারিপাড়া ও রাঘব চরে স্থানীয় সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী বানভাসিদের মাঝে ত্রাণ বিতরণকালে এমন দৃশ্য চোখে পড়ে। সাংসদ শামীম হরিপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন চরের কমপক্ষে ৫ হাজার বানভাসির মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন। 

এ সময় উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা কাজী লুতফুল হাসান, হরিপুর ইউপি চেয়ারম্যান নাফিউল ইসলাম জিমি, হরিপুর ইউনিয়ন জাপার সভাপতি আমজাদ হোসেন, উপজেলা যুবসংহতির সভাপতি রেজাউল ইসলাম রানা, স্বেচ্ছাসেবক পাটির সভাপতি সরওয়ার হোসেন বাবু, কৃষক পাটির সভাপতি গোলাম মোস্তফা, ছাত্র সমাজের সভাপতি শাহ সুলতান সরকার সুজন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। 


এদিকে অবিরাম বর্ষণ এবং উজান থেকে নেমে আসা ঢলে দ্বিতীয় দফার বন্যা পরিস্থিতি বর্তমানে অপরিবর্তিত রয়েছে।  নদী ভাঙনও অব্যাহত রয়েছে। গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর, বেলকা, হরিপুর, চন্ডিপুর, কি বাড়ি, শান্তিরাম,  শ্রীপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের ওপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় দ্বিতীয় দফা বন্যা দেখা দেয়। প্রথমে বাড়ার পর পানি কমতে শুরু করলেও গত রোববার রাত হতে আবারও বাড়তে শুরু করেছে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, দ্বিতীয় দফা বন্যায় উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের বিভিন্ন চরের কমপক্ষে ১২ হাজার  পরিবারের ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্ধি হয়ে পড়ে।