কসবায় নিখোঁজের চারদিন পর এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশ: ৩০ জুলাই ২০২০     আপডেট: ৩০ জুলাই ২০২০   

কসবা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) সংবাদদাতা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় নিখোঁজের চারদিন পর বন্যার পানিতে ভাসমান অবস্থায় জাহাঙ্গীর মিয়া (৪০) নামের এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার বিকালে উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের অনন্তপুর গ্রাম থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

ময়নাতদন্তের জন্য সকালে মৃতদেহটি ব্রা‏‏হ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। নিহত জাহাঙ্গীর মিয়া কসবা পৌর শহরের আকুবপুর এলাকার সোনা মিয়ার ছেলে।  এ ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন নিহতের স্ত্রী রেজিয়া বেগম।

নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৬ জুলাই রাত ৮টায় নিহতের প্রতিবেশী ইসমাইল বাড়ি থেকে জাহাঙ্গীরকে ডেকে নেন। এরপর রাতে তিনি আর বাড়ি ফিরে আসেননি। গত চারদিন ধরে বিভিন্ন জায়গায় জাহাঙ্গীরের খোঁজ করা হলেও কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। এ ব্যাপারে জাহাঙ্গীরের স্ত্রী গত ২৮ জুলাই কসবা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। 

পরে বুধবার উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের চাপিয়া-অনন্তপুর সড়ক থেকে কয়েকশ গজ দূরে বন্যার পানিতে ভাসমান কচুরীপানা মধ্যে একটি মরদেহ ভেসে উঠার খবর পান জাহাঙ্গীরের স্ত্রী।  এরপর ঘটনাস্থল গিয়ে নিহতের স্ত্রী রেজিয়া বেগম ও বড় ভাই মোসলেম মিয়াসহ পরিবারের অন্য লোকজন মরদেহটি জাহাঙ্গীরের বলে শনাক্ত করেন। খবর পেয়ে পুলিশ বিকালে মরদেহটি উদ্ধার করে।

নিহতের স্ত্রী ও বড় ভাই জানান, তাদের প্রতিবেশী ইসমাইল রাতের বেলায় জাহাঙ্গীরকে ডেকে নিয়ে যান। এরপর থেকেই তিনি আর বাড়ি ফিরে আসেননি। তারা জানান, একই গ্রামের মজিদ, করিম, সাত্তার গংদের সাথে তাদের পরিবারের সামাজিক বিরোধ রয়েছে। তারা এ হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার দাবি করেন।
 
কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ লোকমান হোসেন বলেন, মরদেহে পচন ধরে যাওয়ায় সুরতহালে কিছুই বোঝা যাচ্ছে না। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, নিহত জাহাঙ্গীর একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ছিলেন। কসবা থানায় তার নামে ৪টি মাদক মামলা রয়েছে।