কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে হাওরে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়ার তিনদিন পর শিক্ষার্থী ইকরামুল ইসলামের (২০) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার সকালে হাওরের হাসানপুর সেতু এলাকায় মরদেহটি ভেসে ওঠে।

ইকরামুলের বাড়ি জেলার কটিয়াদী উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ চরপুখিয়া গ্রামে। তিনি স্থানীয় কলেজে দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। একই ঘটনায় ইকরামুলের চাচাতো ভাই হাদিউল ইসলামও (৩২) মারা গেছেন। ঘটনার দিন শনিবারই তার লাশ পাওয়া যায়। হাদিউল টাঙ্গাইলের সখীপুর আবাসিক মহিলা কলেজের উদ্ভিদ বিজ্ঞানবিভাগের শিক্ষক ছিলেন।

পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, ঈদ পরবর্তী আনন্দভ্রমণ হিসেবে কলেজশিক্ষক হাদিউল তার ঘনিষ্ঠ ৪০ থেকে ৪৫ জনকে নিয়ে শনিবার হাওর দর্শনে যান। তারা করিমগঞ্জ চামড়া বন্দর থেকে নৌকায় করে ভ্রমণে বের হন। বিকেল পাঁচটার দিকে হাসানপুর সেতু এলাকায় তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজন গোসল করতে নামেন। এ সময় হাওরের স্রোতের তোড়ে হাদিউল ও ইকরামুল পানিতে তলিয়ে যান। পরে স্থানীয় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে উদ্ধারকাজে নামেন। শনিবার সন্ধ্যার দিকে হাদিউলের মরদেহ উদ্ধার হয়। তবে ইকরামুল নিখোঁজ ছিলেন। দুই দিনেও কোনো খোঁজন না মেলায় রোববার বিকেলে উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়। এই অবস্থায় আজ সোমবার সকাল আটটার দিকে হাসানপুর সেতু এলাকা থেকে কমপক্ষে আধা কিলোমিটার দূরে ইকরামুলের মরদেহ ভেসে ওঠে।

ঘটনার সত্যতা  নিশ্চিত করে করিমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোমিনুল ইসলাম বলেন, এলাকাবাসীর মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। তারা মরদেহটি উদ্ধার করে এনেছেন।