ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় এক কিশোরের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার সকাল ১১ টার দিকে উপজেলার বানা ইউনিয়নের কৃষকলীগের সভাপতি শরীফ হারুন-অর-রশীদের বাড়ির নিচ তলার একটি কক্ষ থেকে ওই কিশোরের লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চারজনকে আটক করেছে পুলিশ। 

নিহত আশিক রানা বানা ইউনিয়নের কুঠরাকান্দি গ্রামের সৌদি প্রাবাসী আলমগীর শেখের বড় ছেলে। তিনি ফরিদপুর মুসলিম মিশন কলেজের একাদশ শ্রেণির দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন।

নিহত আশিক রানার চাচা বানা ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গির আলম বলেন, শরীফ হারুন-অর-রশীদ আমাকে রাত একটার পরে ফোন দিয়ে বলে- তোমার ভাতিজা আমার বাড়িতে আছে, তোমরা গিয়ে নিয়ে আসো। এ খবর পেয়ে আমি ও আমার ছোট ভাই গিয়ে তাদের বাড়ির মূল ফটক তালাবদ্ধ দেখে প্রতিবেশী নওশের শেখ ও ওবাইদুল মোল্লাকে তাদের বাড়ির মধ্যে পাঠাই। তারা বাড়ির পিছন দিয়ে প্রবেশ করে বিল্ডিংয়ের নিচ তলায় একটি রুমের মধ্যে ফ্যানের সাথে গলায় গামছা পেঁচানো লাশ ঝুলতে দেখে আমাদের খরব দেয়। আমরা এ ঘটনা তৎক্ষণিক পুলিশকে জানাই।

তিনি বলেন, আমাদের দাবি এটা একটি পরিকল্পিত হত্যা, শরীফ হারুন-অর-রশীদের হুকুমে তার ভাই নজরুল শরীফের লোকজন মিলে আমার ভাতিজা আশিক রানাকে হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে রেখেছে। আমারা অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করার প্রস্ততি নিচ্ছি।

এলাকাবাসী জানায়,  কঠুরাকান্দি গ্রামে দুই পরিবারের লোকজন দুটি পক্ষের নেতৃত্বে দেয়। দুই পরিবারে মধ্যে দির্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসচ্ছে।

এ ব্যাপারে শরীফ হারুন-অর-রশীদের সঙ্গে বার বার ফোনে যোগাযোগ চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

আলফাডাঙ্গা থানার ওসি রেজাউল করিম জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চার জনকে থানায় আনা হয়েছে। ময়না তদন্তের রির্পোট হাতে পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।