চট্টগ্রাম থেকে হবিগঞ্জ আসার পথে আন্তঃনগর পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনে এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ওই ঘটনায় অভিযুক্ত যুবক সাঈদ আরিফকে আটক করেছে পুলিশ। তার বাড়ি ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলায়। চট্টগ্রাম বিএসআরএম স্টিল কোম্পানির টেকনিশিয়ান ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত তিনি।

পুলিশ ও ওই তরুণীর বক্তব্য থেকে জানা যায়, পাঁচ বছর আগে ফেসবুকে দু'জনের পরিচয় হয়। এরপর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। মঙ্গলবার সকালে ওই তরুণী চট্টগ্রাম থেকে হবিগঞ্জের উদ্দেশে আন্তঃনগর পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনে ওঠেন। বিষয়টি ওই তরুণী আগেই তার প্রেমিক সাঈদ আরিফকে জানিয়ে রাখেন। তখন আরিফ তরুণীকে না জানিয়েই ফেনী থেকে শায়েস্তাগঞ্জ স্টেশনের টিকিট কেটে রাখে।

মঙ্গলবার দুপুরের দিকে ট্রেনটি ফেনী স্টেশনে এলে আরিফও ট্রেনে ওঠে। এ সময় তরুণীকে ফুঁসলিয়ে পাশের কেবিনে নিয়ে ধর্ষণ করে আরিফ। একপর্যায়ে ওই তরুণী অসুস্থ হয়ে পড়লে আরিফ পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু ওই তরুণী আরিফকে পালাতে বাধা দেন।

এ সময় তরুণীর অসুস্থতার সুযোগ নিয়ে আবারও ধর্ষণ করে আরিফ। পরে ট্রেনটি শায়েস্তাগঞ্জ জংশনে পৌঁছামাত্রই ওই তরুণী চিৎকার করলে স্থানীয় লোকজন কেবিনে ঢুকে তাকে উদ্ধার এবং ধর্ষক আরিফকে আটক করে। পরে তরুণীকে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

খবর পেয়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) উৎসব কর্মকার হাসপাতালে এসে জনতার হাত থেকে আরিফকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নিয়ে যান।

হবিগঞ্জ সদর থানার ওসি (তদন্ত) দৌস মোহাম্মদ বলেন, মেয়েটিকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তরুণীর পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোনো অভিযোগ না দেওয়ায় বুধবার বিকেলে অভিযুক্তকে ৫৪ ধারায় আদালতে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।