খুলনার তেরখাদা উপজেলায় চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে (৯) ধর্ষণের অভিযোগে রেজাউল ইসলাম (২২) নামে এক পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার সকাল ১১টার দিকে উপজেলার মধুপুর এলাকায় ধর্ষণের এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা থানায় মামলা করেছেন। পরে পুলিশ অভিযুক্তকে তার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে।

অভিযুক্ত রেজাউল ইসলামের বাড়ি তেরখাদা উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের মোকামপুর গ্রামে। তিনি নাটোর পুলিশ লাইনসে পুলিশ কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত।

ধর্ষণের শিকার ওই শিশুর বাবা জানান, রেজাউল বছর তিনেক হয়েছে চাকরি পেয়েছে। এখন ছুটিতে বাড়িতে এসেছেন। তার মেয়ে রেজাউলের বাড়ির পাশের ঘেরের পাড়ে সকাল ১১টার দিকে কদম ফুল পাড়তে যায়। সে সময় ফুল পাড়তে সহায়তার কথা জানায় রেজাউল। পরে সে ফুসলিয়ে মেয়েটিকে বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করে। মেয়েটি বাড়িতে এসে তার মাকে সব ঘটনা খুলে বলে।

তেরখাদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা স্বপন কুমার রায় জানান, অভিযুক্ত রেজাউলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসির সমন্বয়ক চিকিৎসক অঞ্জন কুমার চক্রবর্তী বলেন, শিশুটিকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তবে এখনও তার রক্তক্ষরণ হচ্ছে।

এ নিয়ে গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে খুলনার তিন উপজেলায় চারটি ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেল। এর মধ্যে খালিশপুরে একটি, ডুমুরিয়ায় দু’টি ও তেরখাদায় একটি ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে।