সিনহা হত্যা: গ্রেপ্তার কনস্টেবল রুবেল ৭ দিনের রিমান্ডে

প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০   

কক্সবাজার অ‌ফিস

সিনহা মো. রাশেদ খান

সিনহা মো. রাশেদ খান

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার মেরিন ড্রাইভে শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান নিহত হওয়ার ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার পুলিশ কনস্টেবল রুবেল শর্মার সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বুধবার দুপুরে কক্সবাজারের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম তামান্না ফারাহের আদালত এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা র‌্যাবের সি‌নিয়র সহকারী পুলিশ সুপার খাইরুল ইসলাম জানান, রুবেল শর্মার ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন তিনি। এ সময় বিচারক সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। 

এর আগে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে রুবেল শর্মাকে আদালতে হাজির করা হয়। দুপুর ১টা ২০ মিনিটের দিকে আদালত প্রাঙ্গণ থেকে পুলিশের প্রিজনভ্যানে করে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় কক্সবাজার কারাগারে।

গত ১৪ সেপ্টেম্বর কনস্টেবল রুবেলকে সিনহা হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করে র‌্যাব। এরপর থেকেই তিনি কারাগারে রয়েছেন।  

তদন্ত কর্মকর্তা জানান, সিনহা হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার অন্য আসামিদের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদকালে কনস্টেবল রুবেল শর্মার নাম আসে। এ কারণে রোববার রাতে র‌্যাবের একটি দল জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রুবেলকে তাদের কার্যালয়ে নিয়ে আসে। এরপর তাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মেজর সিনহা হত্যা মামলায় জড়িত সন্দেহে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। 

গত ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা সিনহা মো. রাশেদ খান। এরপর ৫ আগস্ট এ ঘটনায় ৯ জনের বিরুদ্ধে কক্সবাজার আদালতে মামলা করেন সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস। মামলাটির তদন্তভার দেওয়া হয় র‌্যাবকে। 

৬ আগস্ট আদালতে আত্মসমর্পণ করেন টেকনাফ থানার অপসারিত ওসি প্রদীপ কুমার, বরখাস্তকৃত পরিদর্শক লিয়াকত আলী ও উপ-পরিদর্শক নন্দ দুলাল রক্ষিতসহ পুলিশের ৭ সদস্য। গত এক মাসে র‌্যাব এ মামলায় এপিবিএনের তিন সদস্য ও পুলিশের মামলার তিন সাক্ষীকে আটক করে এবং মোট ১৩ জনকে নানা মেয়াদে রিমান্ডে নেয়। এর মধ্যে ১২ আসামি এ পর্যন্ত আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।