চট্টগ্রামে গৃহিণীকে তুলে নিয়ে ‘গণধর্ষণ’, ৮ আসামির রিমান্ড

প্রকাশ: ১০ অক্টোবর ২০২০     আপডেট: ১০ অক্টোবর ২০২০   

চট্টগ্রাম ব্যুরো

চট্টগ্রামে ২২ বছর বয়সী এক গৃহিণীকে গণধর্ষণের মামলার আট আসামির রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। মামলার প্রধান আসামি জাহাঙ্গীর আলমের পাঁচ দিন ও বাকি সাত আসামির তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

শনিবার চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট খায়রুল আমিন এর আদালত শুনানি শেষে এসব আদেশ দেন। এর আগে বিকেলে মামলার একমাত্র নারী আসামি মনোয়ারা বেগম প্রকাশ ওরফে লেবুর মা সেচ্ছায় জবানবন্দি দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করলেও পরে জবানবন্দি দেননি তিনি।

চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের সহকারি কমিশনার (প্রসিকিউশন) কাজী শাহাবুদ্দিন আহমেদ জানান, পুলিশের আবেদনে প্রধান আসামির পাঁচদিন ও বাকি সাত আসামির তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। তিন দিন করে রিমান্ডে নেওয়া আসামিরা হলেন- মো. ইউসুফ, দেবু বড়ুয়া প্রকাশ ওরফে জোবায়ের হোসেন, রিন্টু দত্ত ওরফে বিপ্লব, মো. রিপন, মো. সুজন ও মো. শাহেদ।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে নগরের চান্দগাঁও থানার মৌলভী পুকুর পাড় এলাকায় এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটলে শুক্রবার দিনভর অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেফতার করা হয়। এদের মধ্যে প্রথম চারজন সিএনজি অটোরিকশা চালক। গ্রেফতার জাহাঙ্গীর আলম ও সুমন পুলিশ সোর্স বলে জানা গেছে।

পুলিশ জানায়, রাঙ্গুনিয়া গ্রামের বাড়ি থেকে নগরের বাসায় ফেরাপর পথে ওই গৃহিণী বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে চান্দগাঁও থানার কাপ্তাই রাস্তার মাথা এলাকায় পৌঁছান। সেখান থেকে রিকশায় চকবাজার যাওয়ার পথে আসামিরা ওই গৃহিণীকে অনুসরণ করে। মৌলভীপুকুর পাড় এলাকায় পৌঁছালে বহনকারী রিকশা গতিরোধ করে তাকে তুলে নিয়ে যায় আসামিরা। রাত দেড়টা পর্যন্ত তাকে আটকে রেখে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে। দেড়টা থেকে ভোর চারটা পর্যন্ত ৮ থেকে ১০ জন মিলে তাকে গণধর্ষণ করে। পরে তার কাছ থেকে মোবাইল ও টাকা পয়সা কেড়ে নিয়ে তাকে ছেড়ে দেয়। ভোর সাড়ে চারটায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে খবর পায় পুলিশ। পরে দিনভর অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেফতার করা হয়। পরে এ ঘটনায় ওই নারী বাদী হয়ে চান্দগাঁও থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেন।