বেড়াতে নিয়ে ধর্ষকদের হাতে তুলে দেন সৎবাবা

বিভিন্ন স্থানে শিকার আরও ৪

প্রকাশ: ১৪ অক্টোবর ২০২০   

অনলাইন ডেস্ক

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় তরুণী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। এ ঘটনায় তিন যুবককে গণধোলাইয়ের পর পুলিশে দেওয়া হয়েছে। এদিকে কক্সবাজারের মহেশখালীতে বাড়ি থেকে ডেকে স্কুলছাত্রীকে তিন বন্ধু মিলে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দশম শ্রেণির ছাত্রী, বাগেরহাটে কিশোরী, বগুড়ায় শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে।

প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর:

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলায় মঙ্গলবার রাতে এক তরুণী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। স্থানীয় লোকজন এ ঘটনায় জড়িত তিন যুবককে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে দিয়েছে। মেয়েটি তার সৎবাবাসহ পাঁচজনকে আসামি করে কুলাউড়া থানায় মামলা করেছেন।

অভিযোগে বলা হয়, নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীর ওই তরুণী কুলাউড়ায় সৎবোনের বাড়ি বেড়াতে আসেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সৎবাবা ইমরান হোসেন বেড়ানোর কথা বলে তাকে স্টেশন রোডে সোনালী ব্যাংকের কাছে নিয়ে আসেন। এরপর তিন হাজার টাকার বিনিময়ে কাশেম আলী ও তার দুই সহযোগীর হাতে মেয়েকে তুলে দেন। তারা সিএনজিচালিত অটোরিকশা করে তাকে অন্যত্র নিয়ে ধর্ষণ করে। স্থানীয় লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে তরুণী এবং তিন যুবককে আটক করে। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ জনতা তাদের গণধোলাই দেয়। গতকাল বুধবার সকালে কুলাউড়া থানার ওসিসহ পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে চারজনকেই পুলিশে সোপর্দ করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- কুলাউড়া উপজেলার কুটাগাঁও গ্রামের কাশেম আলী, গাজীপুর গ্রামের আরজান আলী ও রাজেস সুত্রধর ওরফে পাপ্পু।

কক্সবাজারের মহেশখালীতে রাতে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে স্কুলছাত্রীকে তিন বন্ধু মিলে ধর্ষণ করেছে। পরে ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে মেয়েটির পরিবারের কাছ থেকে চাঁদা দাবি করে তারা। এ ঘটনায় এক যুবককে আটক করে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয় লোকজন। আটক মোহাম্মদ এবাদউল্লাহ একই এলাকার। তিনি মেয়েটির প্রেমিক নুরুল হাকিমের বন্ধু।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, মঙ্গলবার রাতে জরুরি কথা আছে বলে মেয়েটিকে ডেকে নেয় প্রেমিক নুরুল হাকিম। পরে নুরুল ও তার দুই বন্ধু মিলে তাকে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে। বিষয়টি জানতে পেরে পাড়ার লোকজন টাকা দেওয়ার কথা বলে নুরুলের বন্ধু এবাদউল্লাহ এবং খাইরুল আমিনকে ডেকে নিয়ে আটকে রাখে। পরে খাইরুলকে ছাড়িয়ে নেয় প্রভাবশালীরা।

মহেশখালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ ইমরানুল কবির জানান, গ্রেপ্তার এবাদউল্লাহকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে দূরসম্পর্কের মামাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার শাহাদাত হোসেনের বাড়ি বিজয়নগর উপজেলায়। বাগেরহাট সদর উপজেলায় মানসিক প্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত হাফিজুর রহমানকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া বগুড়ার শেরপুরে চকলেটের প্রলোভনে শিশুছাত্রীকে ধর্ষণ করা হয়েছে। ধর্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই উপজেলায় পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে বেল্লাল হোসেন নামে একজনকে আটক করা হয়েছে।