সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে ১৪ বছরের এক কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সম্প্রতি ঘটা এ ঘটনায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অভিযুক্ত একজনকে আটক করা হয়েছে। নির্যাতনের শিকার কিশোরীকে সিলেটের ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ ও ওই কিশোরীর পারিবারিক সূত্রে জানা যায়,  উপজেলার একটি গ্রামের ওই কিশোরী গত ১৩ অক্টোবর রাত সাড়ে১০টার দিকে প্রকৃতির ডাকে সারা দিয়ে ঘরের বাইরে বের হলে তিন বখাটে পাশের ধানক্ষেতে নিয়ে তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় মেয়েটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। রাতেই অভিভাবকদের বিষয়টি জানায় সে।

অভিযোগ রয়েছে, ধর্ষণে অভিযুক্তরা প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের আত্মীয়-স্বজন কিশোরীর অভিভাবকদের মামলা করতে দেয়নি। আপোসে মিমাংসা করার জন্য নানাভাবে চেষ্টা করতে থাকে তারা।

মঙ্গলবার মেয়েটি আরও বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।এরই এক পর্যায়ে আশপাশের মানুষসহ গ্রামবাসী এবং পুলিশও ঘটনা জানতে পারে।

পরে দোয়ারাবাজার থানার ওসি মো. নাজির আলমের নেতৃত্বে একদল পুলিশ মঙ্গলবার বিকেলে ঘটনাস্থলে গিয়ে আব্দুল মান্নানের ছেলে অভিযুক্ত বিল্লাল হোসেনকে আটক করে।

ওসি মো. নাজির আলম বলেন, ঘটনাটি ধামাচাপা দেবার চেষ্টা হয়েছিল। আমরা জানার পরপরই এক ধর্ষককে গ্রেপ্তার করেছি। অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা হচ্ছে। কিশোরীর পক্ষে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

সুনামগঞ্জের পুলিশ মো. মিজানুর রহমান ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা নিশ্চিত হওয়া গেছে। ৩ জন ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিল। ১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকী ২ জনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করা হচ্ছে। নির্যাতিতা মেয়েটি সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে।