ধর্ষণের পর ভুয়া বিয়ে, গ্রেপ্তার ৩

প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২০     আপডেট: ২৫ অক্টোবর ২০২০   

সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি

ফরিদপুরের সালথায় তরুণীকে (১৮) কৌশলে উঠিয়ে নিয়ে টানা পাঁচ দিন ধর্ষণের পর নিজেকে বাঁচাতে ভুয়া বিয়ে করার অভিযোগ উঠেছে এনায়েত হোসেন মৃধা (৪২) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় রোববার সালথা থানায় অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে একটি মামলা করেন ওই তরুণীর বাবা। পুলিশ অভিযুক্ত এনায়েত ও ভুয়া কাজীসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

এনায়েত হোসেন মৃধার বাড়ি উপজেলার যদুনন্দী ইউনিয়নের খারদিয়া গ্রামে। পেশায় মাংস ব্যবসায়ী এনায়েত এ পর্যন্ত অন্তত পাঁচটি বিয়ে করেছেন বলে জানা গেছে। তার প্রত্যেক স্ত্রীর ঘরেই সন্তান রয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে ও ভুক্তভোগী তরুণীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি মুঠোফোনে ওই তরুণীর সঙ্গে একই উপজেলার এনায়েত হোসেন মৃধার পরিচয় হয়। গত ২ অক্টোবর বিকেলে ওই তরুণীকে স্থানীয় বাহিরদিয়া বাজার এলাকা থেকে কৌশলে গাড়িতে উঠিয়ে ঢাকার আশুলিয়া এলাকায় নিয়ে যায় এনায়েত। সেখানে বাসা ভাড়া নিয়ে ওই তরুণীকে বিয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়ে টানা ৫ দিনে একাধিকবার ধর্ষণ করেন তিনি। এরপর ধর্ষণের অভিযোগ থেকে নিজেকে বাঁচাতে গত ৮ অক্টোবর ঢাকার আশুলিয়া থেকে সালথার পাশ্ববর্তী বোয়ালমারীতে উপজেলায় এসে এক ব্যাক্তিকে ভুয়া কাজী ও ওই কাজীর ভাইকে ভুয়া স্বাক্ষী বানিয়ে তরুণীর কাছ থেকে সু-কৌশলে স্বাক্ষর নেন এনায়েত। এরপর একটি সাজানো কাবিননামা তৈরি করেন তিনি। পরে তারা স্বামী-স্ত্রী সেজে সালথায় বাড়িতে আসেন। বাড়ি আসার পর ওই তরুণীকে তার বাবার বাড়িতে দিয়ে আসে এনায়েতের পরিবার।

সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্দদ আলী জিন্নাহ জানান, রোববার সকালে প্রথমে এনায়েতকে বোয়লমারী উপজেলার ময়েনদিয়া বাজার এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বোয়ালমারী উপজেলার সদর ইউনিয়নের চালিনগর গ্রাম থেকে কথিত কাজী বসিরুল ইসলাম (৪০) ও তার ভাই হোসাইন মোল্লকে (২৭) গ্রেফতার করা হয়।