সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) বন্দরবাজার ফাঁড়িতে নির্যাতনে মারা যাওয়া রায়হান আহমদের ময়নাতদন্তের ভিসেরা রিপোর্ট পেয়েছে মামলা তদন্তকারী সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। রিপোর্টে রায়হানকে হত্যা করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

১১ অক্টোবর রায়হানের প্রথম ময়নাতদন্ত শেষে রিপোর্টে শতাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়ার কথা জানিয়েছিলেন চিকিৎসক। এবার ভিসেরা রিপোর্টেও তার সত্যতা পাওয়া গেল। পিবিআই’র পুলিশ সুপার খালেদ উজ্জামান বলেন, রিপোর্টে মার্ডার কথাটি উল্লেখ আছে। নির্যাতনে রায়হানের মৃত্যু হয়।

বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম থেকে ভিসেরা রিপোর্ট সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজে আসার পর শনিবার পিবিআই’র কাছে হস্তান্তর করেন কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগ। প্রথম ময়নাতদন্তের ভিসেরা রিপোর্টটি হাতে পেয়েছেন উল্লেখ করে তদন্তকারী কর্মকর্তা পরিদর্শক মো. আওলাদা হোসেন জানিয়েছেন, রিপোর্ট অনুযায়ী অতিরিক্ত আঘাতে রায়হানের মৃত্যু হয়েছে।

বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতনের পর গত ১১ অক্টোবর সকালে মারা যান নগরীর আখালিয়া বাসিন্দা রায়হান আহমদ (৩৪)। ওইদিন রাতেই হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইনে মামলা করেন রায়হানের স্ত্রী তামান্না আক্তার। ১১ অক্টোবর ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রায়হানের প্রথম ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। আইন অনুযায়ী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে ময়নাতদন্ত না হওয়ায় ১৫ অক্টোবর কবর থেকে লাশ উত্তলন করে ২য় দফায় আবার রায়হানের ময়নাতদন্ত করা হয়। প্রথম ময়নাতদেন্তর পর এবার ভিসেরা রিপোর্ট শনিবার হাতে পেল পিআইবি।

বিষয় : সিলেট পিবিআই রায়হান আহমদ

মন্তব্য করুন