নাটোরের তবাড়িয়া হাটে অধৈভাবে টিয়া ও মুনিয়া পাখি বিক্রি করার অপরাধে নাসিম উদ্দিন (১৮) নামে এক যুবককে দুই হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। একই সঙ্গে ছয়টি টিয়া ও একটি মুনিয়া পাখি উদ্ধার করার পর অবমুক্ত করা হয়েছে। 

রোববার দুপুর আড়াইটার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এসব পাখি অবমুক্ত করেন জেলা প্রশাসক মো. শাহরিয়াজ। এর আগে দুপুর ১টার সময় তেবাড়িয়া হাটে অভিযান চালিয়ে পাখিগুলো উদ্ধার করেন নাটোর সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোছা. রনী খাতুন। একই সঙ্গে অবৈধভাবে পাখি রাখা ও বিক্রি করার দায়ে বিক্রেতাকে অর্থদণ্ড দেয়া হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন নাটোর বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক মেহেদী-উজ-জামান। দণ্ডপ্রাপ্ত নাসিম সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া এলাকার মোহাম্মদ হোসাইন আলীর ছেলে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোছা. রনী খাতুন বলেন, মানুষের জন্য কাজ করার পাশাপাশি জীব বৈচিত্র্য রক্ষায় যথাযথ ভূমিকা পালন করবে প্রশাসন। সেই লক্ষ্য নিয়ে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। 

তিনি বলেন, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন-২০১২ এর ৩৮(১) ধারা অনুযায়ী পাখি বিক্রেতা নাসিমকে এই অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। জীববৈচিত্র্য রক্ষা করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। 

বিষয় : টিয়া নাটোর

মন্তব্য করুন