সাবেক শিল্পমন্ত্রী ও ১৪ দলের মুখপাত্র আমির হোসেন আমু এমপি ও তার মেয়ে সুমাইয়া হোসেনকে নিয়ে ফেসবুক মেসেঞ্জারে কটূক্তি করায় গ্রেপ্তার হয়েছেন ঝালকাঠি আওয়ামী লীগের আইনবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন রিজভী। 

তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল আইনে মামলা করা হয়েছিল। মঙ্গলবার রাতে গ্রেপ্তারের পর বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টায় রিজভীকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করে পুলিশ। এদিন এ বিষয়ে আদালতে শুনানি হওয়ার কথা।

এ ব্যাপারে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঝালকাঠি থানার এসআই হজরত আলী জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার না করলেও রুহুল আমিন রিজভীর প্রাথমিক সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। ফলে তাকে সন্দেহভাজন আসামি করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতের কাছে সাত দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়েছে।

পুলিশ সূত্র জানায়, রিজভীর ফেসবুক আইডিতে কীভাবে এই মন্তব্য ও ছবি এলো, তা জানতে চাইলে রিজভী কোনো সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেননি। তাই তাকে এ মামলায় আসামি করা হয়েছে।

এর আগে গত রোববার রাতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের করা এ মামলায় শহরের সাধনার মোড় থেকে প্রথমে জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ মোহাম্মদ রাব্বীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। 

এ বিষয়ে ঝালকাঠি থানার ওসি মো. খলিলুর রহমান জানান, রাব্বী নামের ফেসবুক আইডি ও মেসেঞ্জার থেকে ঝালকাঠি-২ আসনের এমপি আমির হোসেন আমু ও তার মেয়ে সুমাইয়া হোসেন সম্পর্কে গত ৫ ডিসেম্বর রাত ১২টা ২২ মিনিটে আপত্তিকর ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য ছড়ানো হয়। পরে জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আ স ম মোস্তাফিজুর রহমান মনু রোববার রাতে ঝালকাঠি থানায় রাব্বীকে আসামি করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা করেন। রাব্বীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, তার ছবি ও নাম ব্যবহার করে অন্য কেউ ফেসবুকে ভুয়া আইডি খুলে তাকে বিপদে ফেলেছেন। 

এ বিষয়ে থানায় জিডি করতে গেলে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে তাকে আটক করা হয়।