ময়মনসিংহে বাংলাদেশ ডিজিজ স্পেসিফিক অ্যাকাউন্টস-২০১৫ শীর্ষক এক অবহিতকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দুপুরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সম্মেলন কক্ষে কর্মশালাটির আয়োজন করা হয়।

বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিট ডিজিজ স্পেসিফিক অ্যাকাউন্টস (ডিএসএ) সম্পন্ন করেছে। আইসিডি-১০ কোড এর ২১ টি বিস্তৃত রোগের শ্রেণিবিন্যাস ব্যবহার করে ডিএসএ এর বিশ্লেষণ উপস্থাপন করা হয়েছে। সর্বশেষ সম্পন্ন করা ন্যাশনাল হেলথ অ্যাকাউন্টস অনুসারে এই গবেষণাটি সম্পন্ন করা হয়েছে। 

বিভাগীয় পর্যায়ে উক্ত গবেষণার ফলাফল প্রচারের জন্য স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের কর্মশালাটির আয়োজন করে। ২০১৫ সালে করা বাংলাদেশ ডিজিজ স্পেসিফিক অ্যাকাউন্ট সম্পর্কে সার্বিক বিষয়ে অবহিত করা হয় কর্মশালায়। এতে ন্যাশনাল হেলথ অ্যাকাউন্টস সম্পর্কে ধারণা, বাংলাদেশ ডিজিজ স্পেসিফিক অ্যাকাউন্টস (ডিএসএ) ও ডিএসএ শীর্ষক গবেষণার ফলাফল নিয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের উপপরিচালক ফাতেমা জোহরা ও ডা. সুব্রত পাল। 

অবহিতকরণ কর্মশালালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) ড. মো. শাহাদৎ হোসেন মাহমুদ। প্রধান অতিথির বক্তব্যের তিনি বলেন, গবেষণায় বিভিন্ন ক্লাসিফিকেশন করে রোগীদের পেছনের কত খরচ হয় তা নিরুপণ করা হয়েছে। স্বাস্থ্য খাতে উন্নতির জন্য কোন খাতে কত খরচ হয় তা নিরুপণ প্রয়োজন। এতে অপচয় কমে আসবে।  দেশ ১.৮ ভাগ লোক অর্থের জন্য চিকিৎসা করাতে পারে না। 

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন সারা বিশ্বের মধ্যে ঈর্ষণীয়। স্বাস্থ্য খাতে উন্নয়ন করতে পারলে উন্নয়নের মহাসড়কের দেশ এগিয়ে যাবে। সে কারণে সকলকে সকল পর্যায় থেকে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। 

ময়মনসিংহ বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মো. শাহ্ আলমের সভাপতিত্বে কর্মশালায় আরো বক্তব্য রাখেন ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার মো. কামরুল হাসান, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. ফজলুল কবীর, ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক মো. মিজানুর রহমান, রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের পুলিশ সুপার নাসির উদ্দিন, সিভিল সার্জন ডা. এবিএম মশিউল আলম প্রমুখ।