যশোর শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহামুদ হাসান বিপুকে বুধবার বিকেলে হেলিকপ্টারে করে ঢাকায় নেওয়া হয়েছে। ঢাকায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়। পুলিশ হেফাজতে বিপুকে নির্যাতন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন নিজেই। যশোর জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

যশোরের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন জানিয়েছেন, তিনি একজন সম্মানিত মানুষ। পুলিশ হেফাজতে তাকে নির্যাতনের কোনো ঘটনা ঘটার কথা নয়। যেহেতু অভিযোগ উঠেছে, সে কারণে বিষয়টি তদন্তের জন্য সিনিয়র কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে বিভাগীয় কমিটি করা হয়েছে।

বিপু অভিযোগ করে বলেন, গত সোমবার শহীদ মিনার এলাকায় সাদা পোশাকে থাকা পুলিশ সদস্য এক নারীকে নিয়ে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় বসেছিলেন। এ সময় স্থানীয়রা তাদের মারধর করে। পরে তিনি এগিয়ে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেন। তিনি মারধরের সঙ্গে জড়িত নন। তবে পুলিশ তাকে ওইদিন রাত পৌনে ৯টার দিকে তুলে নিয়ে চোখ বেঁধে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গোলাম রব্বানীর নেতৃত্বে নির্যাতন করা হয়। পরে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ। এরপর মঙ্গলবার বিকেলে তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

যশোর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. দিলীপ কুমার রায় জানিয়েছেন, মাহমুদ হাসানের সারা শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তার প্রেশার, ডায়াবেটিস রয়েছে। রক্তে প্লাটিলেট এক লাখের নিচে নেমে এসেছে। চার সদস্যের মেডিকেল টিম তাকে পরীক্ষা করেছে। চিকিৎসকরা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেছেন।