চট্টগ্রাম বন্দরে আট হাজার ৭৪২টি পদের বিপরীতে ছয় হাজার ৭৮৩ জন জনবল রয়েছে। শূন্য পদের সংখ্যা এক হাজার ৯৫৯টি। এসব শূন্য পদের মধ্যে ৩৫৬টি পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছে। বৃহস্পতিবার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে বন্দর কর্তৃপক্ষ উপস্থাপিত প্রতিবেদনে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

কমিটির সভাপতি মেজর (অব.) রফিকুল ইসলামের (বীরউত্তম) সভাপতিত্বে নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, কমিটির সদস্য ডা. সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল এবং এস এম শাহজাদা বৈঠকে অংশ নেন।

বৈঠকে উত্থাপিত অপর এক প্রতিবেদনে চট্টগ্রাম বন্দরের দুই হাজার ৭৬৪ কোটি ৬৮ লাখ ৯০ হাজার টাকার অডিট আপত্তির তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, চট্টগ্রাম বন্দরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত মোট দুই হাজার ১৬৫টির বেশি অডিট আপত্তি হয়েছে। অর্থের পরিমাণ চার হাজার ৯৩২ কোটি ৮৮ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। আপত্তি আসা এসব অডিটের মধ্যে দুই হাজার ৮টি নিষ্পত্তি হয়েছে। এতে টাকার পরিমাণ ছিল দুই হাজার ১৭১ কোটি ৫ লাখ ৩৭ হাজার। বাকি অনিষ্পন্ন ১৫৭ অডিট আপত্তির অর্থের পরিমান দুই হাজার ৭৬৩ কোটি ৬৭ লাখ টাকা।

বৈঠক শেষে সংসদ সচিবালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের অডিট আপত্তির বিস্তারিত বিবরণ আগামী সভায় উপস্থাপন এবং শূন্যপদে জনবল নিয়োগ ও পদোন্নতি কার্যক্রম গ্রহণের জন্য কমিটি সুপারিশ করে। বৈঠকে বুড়িগঙ্গা ও কর্ণফুলী নদীর ময়লা-আবর্জনা ও পলিথিন অপসারণ করার জন্য জরুরি ভিত্তিতে গ্র্যাব ড্রেজার সংগ্রহ করে কার্যক্রম গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।

বৈঠকে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এবং চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে জলাবদ্ধতা দূরীকরণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করে কমিটি।

বিষয় : চট্টগ্রাম বন্দর শূন্য পদ

মন্তব্য করুন