'এসো ওড়াই ঘুড়ি বাংলার ঐতিহ্য লালন করি'-এই স্লোগানে পুরান ঢাকার স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন 'মাঞ্জা' নানা আয়োজনে এবারের সাকরাইন উৎসব পালন করেছে।

ঐতিহ্যবাহী এই উৎসবকে কেন্দ্র করে মাঞ্জা বিভিন্ন রকম পিঠা, কাচ্চি বিরিয়ানি, ফুচকা, চটপটি ভাজা-পোড়াসহ ঐতিহ্যবাহী খাবার আয়োজন করে। বৃহস্পতিবার বিকাল থেকে বাড়ির ছাদে ছাদে নতুন আঙ্গিকে শুরু হয় বারবিকিউ। সন্ধ্যার পর ফানুসসহ চোখ ধাঁধানো হরেক রকমের আতশবাজির মধ্যদিয়ে এই উৎসব আরো বেশি জমকালো করে তোলে সংগঠনটি। তবে করোনাকালীন চলমান সময়টি মাথায় রেখে এসব আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছিল।

চারশ' বছরের ঐতিহ্যবাহী পুরান ঢাকায় যুগ যুগ ধরে পৌষ সংক্রান্তি বা শীতের আমেজকে বাড়তি মাত্রা দিতে ঘুড়ি ওড়ানোকে কেন্দ্র করে এই উৎসব উদযাপন হয়ে থাকে। সেই ধারাবাহিকতায় এইবার স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন মাঞ্জা এই উদ্যোগ নেয়। 

এদিকে দেশে কোভিড-১৯ শুরুর পর থেকেই মাঞ্জা অসহায় মানুষের ঘরে ঘরে খাবার পৌঁছে দিয়েছে। করোনায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোসহ নানা কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার জন্য সংগঠনটি সাকরাইন উৎসবের মধ্যেই কয়েকজনকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করে।