তৃতীয় ধাপে আগামী ৩০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া রাজবাড়ীর পাংশা পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সমর্থনে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন পাংশা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ওয়াজেদ আলী। একই আসনে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন ওয়াজেদ আলীর আপন ভাগ্নে পৌর বিএনপির সদস্য সচিব রইচ উদ্দিন খান। সম্পর্কে আপন মামা-ভাগ্নে হলেও নির্বাচনের মাঠে কেউ কাউকে তিল পরিমাণ ছাড়তে নারাজ। তারা দুজনেরই বাড়ি পাংশা পৌরসভার চরমৌদিপুর এলাকায়।

এদিকে নির্বাচন যতই এগিয়ে আসছে, প্রচার প্রচারণা ততই জমে উঠেছে। এক্ষেত্রে নৌকার প্রার্থী মামা ওয়াজেদ আলী অনেকটাই এগিয়ে। মানুষের কাছে ভোট চাওয়ার পাশাপাশি দিচ্ছেন নানান প্রতিশ্রুতি। অপরদিকে নির্বাচনী প্রচারে পিছিয়ে থাকার কারণ হিসেবে বাধা আর হুমকি ধমকির অভিযোগ করেছেন ধানের শীষের প্রার্থী ভাগ্নে রইচ উদ্দিন খান।

রইচ উদ্দিন খান বলেন, ‌‘এখনও আমি ঘরের ভেতর বসে আছি। বাইরে খুব একটা যাচ্ছি না। আমার প্রচারের মাইক বের হয়। তাকে নিষেধ করা হয়েছে- আর যেন বের না হয়। আমার লোকজন গণসংযোগে বের হয়, তাদেরকে হুমকি ধমকি দেওয়া হয়েছে। বড় ধরণের শোডাউন না দেওয়া পর্যন্ত নির্বাচনী পরিবেশ কেমন তা বোঝা মুশকিল। আমরা দুই একদিনের মধ্যে মাঠে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছি।’

তিনি বলেন, ‘অনেক আগে থোকেই  মন্ডল পরিবার আওয়ামী লীগ এবং খান পরিবার বিএনপির সমর্থন করে আসছে। সে ধারা এখনও অব্যাহত আছে। মামা-ভাগ্নে সম্পর্কটা আছে। তবে নির্বাচনের মাঠে কেউ কাউকে ছাড় দিচ্ছে না।’ সুষ্ঠু নির্বাচন হলে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী বলে জানান তিনি।

আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী ওয়াজেদ আলী মন্ডল বলেন, ‘রইচ সম্পর্কে আমার আপন ভাগ্নে। সেটা ঠিকই আছে। কিন্তু আমরা দুজন দুই দল থেকে নির্বাচন করছি। সম্পর্ক যেটা সেটা পারিবারিক আছে। ভোটের মাঠে সম্পর্কের কোনো প্রভাব পড়েনি। পড়ার সুযোগও নেই। আমি নৌকা প্রতীকের প্রতিনিধিত্ব করছি। শেখ হাসিনার নৌকাকে জেতাতে কাউকে ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই।’