ঢাকা শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪

আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ। ছবি-সমকাল

কুমিল্লা প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৯ নভেম্বর ২০২৩ | ২৩:০২

কুমিল্লার মুরাদনগরে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় তাদের হাতে অস্ত্র ও লাঠিসোটা দেখা গেছে। বুধবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে উপজেলা শহরে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীক পেয়ে বুধবার সকালে মুরাদনগর উপজেলা শহরে আসেন সংসদ সদস্য ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন। এ সময় নেতাকর্মীর সঙ্গে কুশল বিনিময়কালে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে আশরাফ মেম্বার ও হেলাল উদ্দিন গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় উপজেলা শহরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বন্ধ হয়ে যায় অধিকাংশ দোকানপাট। এতে এমপি ইউসুফ হারুন দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। 

সেখানকার একাধিক ব্যবসায়ী জানান, উপজেলা সদরের মুরাদনগর-হোমনা সড়কের প্রাইভেটকার স্ট্যান্ডে অস্ত্র হাতে বেশ কিছু যুবককে মহড়া দিতে দেখা যায়। 
দলীয় নেতারা বলেন, কুমিল্লা উত্তর জেলা কৃষক লীগের সদস্য হেলাল উদ্দিনের সঙ্গে নবীপুর পশ্চিম ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আশরাফের সমর্থকদের এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ। এর আগেও দুই গ্রুপে একাধিকবার সংঘর্ষ হয়। বুধবার সকালে সংসদ সদস্য ইউসুফ হারুনকে সামনে পেয়ে কার আগে কে শোডাউন করবে এ নিয়ে উভয় গ্রুপের কর্মীরা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় লিপ্ত হয়। হেলাল গ্রুপের নেতৃত্ব দেন তাঁর সমর্থক মো. মাহবুব। 

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘আমি এখন ব্যাংকক আছি, ঘটনার সময় ঢাকায় ছিলাম। আমার লোকজনের সঙ্গে আশরাফ মেম্বারের লোকজন ঝামেলা করেছে বলে জানতে পেরেছি।’

মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে আশরাফ মেম্বার বলেন, ‘হেলালের লোকজনের হাতেই অস্ত্র ও লাঠিসোটা ছিল। আমার লোকজনের কাছে লাঠিসোটা ছিল না।’
মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রবাস চন্দ্র ধর জানান, খবর পেয়ে টহল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে বড় কোনো ঘটনা ঘটেনি। কোনো পক্ষ থানায় অভিযোগও দেয়নি।
 

আরও পড়ুন

×