গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে স্ত্রীকে হত্যা করে স্বেচ্ছায় থানায় এসে ধরা দিয়েছেন স্বামী মঞ্জু মিয়া।  রোববার উপজেলার দহবন্দ ইউনিয়নের গোপাল চরণ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মঞ্জু মিয়া ওই গ্রামের নউম উদ্দিনের ছেলে।

জানা গেছে,  ১৬ বছর আগে বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের মনিরাম কাজি ফলগাছা গ্রামের ফজলুল হকের কন্যা রেশমা বেগমের সাথে মঞ্জুর বিয়ে হয়। তাদের এক মেয়ে ও দুই ছেলে সন্তান রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই স্ত্রী রেশমা বেগমের সাথে মঞ্জু মিয়ার পারিবারিক বিরোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে রোববার সকালে উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে মঞ্জু কুড়াল দিয়ে স্ত্রীর মাথায় আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলে রেশমা বেগমের মৃত্যু হয়। ঘটনার পর পরই মঞ্জু মিয়া থানায় গিয়ে পুলিশের কাছে স্ত্রী হত্যার কথা স্বীকার করেন। পরে তাকে থানা হাজতে রেখে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে।  ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

দহবন্দ ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম কবির মুকুল জানান, পারিবারিক কলহের কারণে মঞ্জু মিয়া তার স্ত্রীকে হত্যা করেছে। তার দাবি, মঞ্জু মিয়া একজন মানসিক রোগী।

সুন্দরগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক বুলবুল ইসলাম জানান, স্ত্রীকে হত্যার ব্যাপারে মঞ্জু স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। তিনি নিজে থানায় এসে হত্যার কথা স্বীকার করে পুলিশের কাছে ধরা দিয়েছেন। এ নিয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে।