মাত্র দুইশ টাকা নিয়ে ব্যবসা শুরু করা রাঙামাটির জয়শ্রী ধরের এখন মাসে আয় দেড় লাখ টাকা। তার প্রতিষ্ঠিত পবন কোমর তাঁতশিল্প, রাঙামাটি বুটিকস ও কৃষি খামারে কাজ করছেন ২৫ নারী কর্মী। এই সফল নারী উদ্যোক্তা এবার চট্টগ্রাম বিভাগে অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী নারী ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ জয়িতা নির্বাচিত হয়েছেন। বুধবার চট্টগ্রামের শিল্পকলা একাডেমিতে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে চট্টগ্রাম বিভাগের এমন পাঁচ জয়িতাকে সম্মাননা দেওয়া হয়। অন্য জয়িতারা হলেন- শিক্ষা ও চাকরি ক্ষেত্রে কুমিল্লার সুফিয়া আক্তার, সফল জননী ক্যাটাগরিতে চট্টগ্রামের মনোয়ারা বেগম, নির্যাতনের বিভীষিকা মুছে ফেলে নতুন উদ্যমে জীবন শুরু করা লক্ষ্মীপুরের শিরিন আক্তার এবং সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তাসলিমা সুলতানা খানম।

সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে ঢাকার শিশু একাডেমি মিলনায়তন থেকে ভার্চুয়াল মাধ্যমে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা বলেন, জয়িতাকে দেশব্যাপী ছড়িয়ে দিতে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় নারীবান্ধব বিপণিকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেছে। দেশে আজ ক্ষুদ্র ব্যবসা ও অনলাইনভিত্তিক ই-কমার্সের জয়জয়কার। তার পেছনে রয়েছে জয়িতা কার্যক্রম ও ডিজিটাল বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অবদান। তথ্যপ্রযুক্তি সুবিধার কারণে নারী উদ্যোক্তারা সহজে ব্যবসা শুরু করতে পারছেন। দেশের শতকরা ৮০ ভাগ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছেন নারী উদ্যোক্তারা।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার এ বি এম আজাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব কাজী রওশন আক্তার, জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান চেমন আরা তৈয়ব, জয়িতা ফাউন্ডেশনের এমডি আফরোজা খান প্রমুখ।