চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে যশোরে এক তরুণীকে দল বেঁধে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে সদর উপজেলার বাহাদুরপুর বাঁশতলা এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয়রা যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেছে।

নির্যাতিত ওই তরুণী জেলার অভয়নগর উপজেলার বাসিন্দা। তিনি অভিযোগ করেন, পূর্বপরিচিত খুলনা ফুলতলার পত্তিপুর গ্রামের মানিক কুণ্ডু চাকরি দেওয়ার কথা বলে শুক্রবার বিকেলে তাকে যশোরে নিয়ে আসেন। যশোর বাস টার্মিনালে তাদের সঙ্গে যুক্ত হন ফুলতলার আলতা গ্রামের আনোয়ার ও বাগেরহাটের রিয়াজুল। এরপর রাতে তারা বাহাদুরপুর বাঁশতলা এলাকার একটি প্রাচীরঘেরা স্থানে নিয়ে তাকে ধর্ষণ ও মারপিট করেন। 

তিনি আরও জানান, একপর্যায়ে তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়লে তিন ধর্ষক তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। জ্ঞান ফেরার পর চিৎকার করলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। চাকরি দেওয়ার কথা বলে মানিক কুণ্ডু দু’মাস আগে ২০ হাজার টাকাও নিয়েছেন।

হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আরিফ আহম্মেদ জানান, গাইনি চিকিৎসকরা ওই তরুণীকে দেখছেন। প্রাথমিকভাবে আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। পরীক্ষার পরে ধর্ষণের বিষয় নিশ্চিত হওয়া যাবে।

যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) তৌহিদুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ভিকটিমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে এনেছে। তদন্ত চলছে। এখনই বিস্তারিত কিছু বলা যাচ্ছে না।