তিনটি চেক ডিজঅনার মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানার প্রেক্ষিতে রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান, আলোচিত সাহেদ করিমকে মঙ্গলবার সিলেটের আদালতে হাজির করা হয়েছে। সিলেটের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দ্বিতীয় আদালতের বিচারক অঞ্জন কান্তি দে দুপুরে সাহেদ করিমেকে ওই তিন মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

সিলেটের জৈন্তাপুরের পাথর ব্যসায়ী শামসুল মাওলার দায়ের করা প্রতারণা, জালিয়াতি ও টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা এসব মামলায় সাহেদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ান ছিল। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে সম্প্রতি আরেকটি মামলা করেন শামসুল মাওলা। এ মামলাটি আদালতের নির্দেশে তদন্ত করছে পুলিশ।

বাদী পক্ষের আইনজীবী এপিপি আবদুস সাত্তার জানান, সাহেদের বিরুদ্ধে আদালতে চারটি মামলা করেছেন জৈন্তাপুরের ‘মাওলা স্টোন ক্রাশার মিল’র সত্ত্বাধিকারী শামসুল মাওলা। সাহেদ করিমের কাছে মাওলার ৩০ লাখ ৫০ হাজার টাকা পাওনা ছিল। টাকার বিপরীতে সাহেদ ২০ লাখ ৫০ হাজার টাকার তিনটি চেক দেন। চেকগুলো ডিজওনার করে মামলা করেন মাওলা। এ ছাড়াও অন্য একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ১০ লাখ টাকার ভুয়া চেক দিয়ে পাথর কেনেন সাহেদ। এ জন্য আদালতে আরেকটি প্রতারণা, জালিয়াতি ও আত্মসাৎ মামলা দায়ের করেন শামসুল মাওলা। এ মামলাটি আদালদের নির্দেশে পুলিশ তদন্ত করছে।

গত বছরের ৪ মার্চ সাহেদের বিরুদ্ধে সিলেট সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দ্বিতীয় আদালতে মামলার পর গত ৮ নভেম্বর একই আদালত সাহেদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। সেই পরোয়ানার ভিত্তিতে ঢাকা থেকে মঙ্গলবার সাহেদকে সিলেটে নিয়ে আসা হয়। আদালতের হাজির করার পর দুপুরে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রেরণ করা হয়। মামলার পরবর্তী তারিখ আগামী ১৬ মার্চ নির্ধারণ করেছেন আদালত। ওইদিনও সাহেদকে হাজির করার কথা রয়েছে।