চট্টগ্রাম নগরীর বোট ক্লাব থেকে নৌবাহিনীর জাহাজে করে আরও এক হাজার ১১ রোহিঙ্গা ভাসানচর গেছেন। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় তাদের নিয়ে ভাসানচরের উদ্দেশে জাহাজগুলো রওনা দেয়। বেলা ১টার পর তারা ভাসানচর পৌঁছান। এ পর্যন্ত পাঁচ দফায় সাড়ে ৯ হাজার রোহিঙ্গা ভাসানচর গেছেন।

এর আগে সোমবার রাতে তাদের কক্সবাজারের উখিয়া ক্যাম্প থেকে চট্টগ্রামে আনা হয়। নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে বি এ এফ শাহীন কলেজ মাঠের অস্থায়ী ক্যাম্পে রাত যাপনের পর সকালে তাদের জাহাজে তোলা হয়। ভাসানচর প্রকল্পের (আশ্রয়ণ প্রকল্প-৩) উপপ্রকল্পের পরিচালক কমান্ডার এম আনোয়ারুল কবির এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

১৩ হাজার একর আয়তনের ভাসানচরে ১২০টি অত্যাধুনিক পরিবেশবান্ধব গুচ্ছগ্রামের অবকাঠামো তৈরি করেছে নৌবাহিনী। রোহিঙ্গাদের জন্য বাসস্থান ছাড়াও বেসামরিক প্রশাসনের প্রশাসনিক ও আবাসিক ভবন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ভবন, ধর্মীয় উপাসনালয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, চিকিৎসালয়, শিশুদের খেলার মাঠ ও বিনোদন স্পট গড়ে তোলা হয়েছে ভাসানচরে।

মিয়ানমারে হত্যা ও নির্যাতনের মুখে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় আট লাখ রোহিঙ্গা। এর আগে আসে আরও কয়েক লাখ। বর্তমানে উখিয়া ও টেকনাফের ৩৪টি আশ্রয় শিবিরে নিবন্ধিত রোহিঙ্গার সংখ্যা সাড়ে ১১ লাখ। সেখান থেকে ৯২ হাজার রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে স্থানান্তর করার প্রক্রিয়া চালাচ্ছে সরকার।